কবিতা মালা, ২০২৫
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
সূচিপত্র
(১) নতুন বছর ২৫
(২) নতুন বছরের শুভেচ্ছা
(৩) কালের গহীনে
(৪) বদলায় কাল
(৫) নতুন বছরের শুভকামনা
(৬) অন্ধকারের আধারে
(৭) আকাঙ্ক্ষার পাখি
(৮) চন্দ্রালোকের ছায়ায়
(৯) চাঁদের আলোয় একাকী রাত
(১০) জঙ্গলের প্রেমের রাত
(১১) জঙ্গলের চিরন্তন প্রেম
(১২) নিশীথের প্রেম
(১৩) নিশীথের রহস্য
(১৪) নবজীবনের সূচনা
(১৫) প্রথম বাসর রাতের স্বপ্ন
(১৬) নারীর সৌন্দর্য বোঝা
(১৭) মুখোশের আড়ালে
(১৮) নারী অন্ধকারের আলো
(১৯) অনুভূতির জাগরণ
(২০) বন্দী নারীর স্বপ্ন
(২১) সময়ের সাক্ষী নারী
(২২) সমাজের স্তম্ভ নারী
(২৩) আঁধারের আলো”
(২৪) অন্ধকার রাত”
(২৫) অসমাপ্ত গান”
(২৬) কালের গহীনে
(২৭) বদলায় কাল
(২৮) কবির বেদনা
(২৯) হৃদয়ের ক্ষত
(৩০) কবিতা: বই থেকে বাইটে
(৩১) বিরহের বেদনা
(৩২) সস্তার লোভে
(৩৩) বজ্রের গর্জন, প্রকৃতির ক্রোধ
(৩৪) শাসনের খেলা
(৩৫) মায়ের নামে
(৩৬) দীপঙ্করের জন্মদিনের কবিতা
(৩৭) দুর্বল দেশ, দুর্ভোগের জাল
(৩৮) দেশপ্রেমের জ্বালা, দেশের দুর্দশা
(৩৯) কালো মেঘের ছায়ায়
(৪০) বাংলা ভাষার জন্মকথা
(৪১) বাংলা ভাষার যাত্রা
(৪২) বাংলা সাহিত্যের যাত্রা
(৪৩) চর্যাপদের যাত্রা
(৪৪) বাংলার প্রাচীন গৌরব
(৪৫) বাংলা ভাষার অমর গৌরব
(৪৬) রক্তাক্ত ধর্ম
(৪৭) ধর্মের নামে যুদ্ধ
(৪৮) মাতৃভূমি হারানোর বেদনা
(৪৯) খন্ডিত স্বপ্ন-মাতৃভূমির আকাঙ্ক্ষা
(৫০) বিভক্ত বাংলার সীমান্ত যন্ত্রণা
(৫১) ধর্মের নামে রক্তাক্ত স্বপ্ন
(৫২) ধর্মের নামে মানবতার অবক্ষয়
(৫৩) ধর্মের নামে বিভ্রান্তি
(৫৪) ধর্মের নামে রক্তাক্ত সংগ্রাম
(৫৫) ধর্মের ছদ্মবেশে লুটপাট
(৫৬) রাধাকৃষ্ণের প্রেমের কবিতা
(৫৭) চৈতন্যের মহিমা
(৫৮) গুরুদেবের সান্নিধ্যে
(৫৯) জীবনের আলো
(৬০) ছলনাময়ী দজ্জাল বউ
(৬১) দূরত্বের বেড়াজাল
(৬২) স্বপ্নের ভাঙা চূড়
(৬৩) নতুন সূর্যের আলো
(৬৪) সূর্যোদয়ের আশা
(৬৫) নতুন দিনের স্বপ্ন
(৬৬) আশার সূর্য
(৬৭) নতুন সকাল
(৬৮) আলোর পথে
(৬৯) হৃদয়ের বাগানে
(৭০) বসন্তের স্বপ্নের উড়ান
(৭১) সাহিত্য সাগরে তুষার কান্তি
(৭২) শুভ জন্মদিন, সাহিত্যিক
(৭৩) প্রেমের বন্দী-সুন্দরবনে
(৭৪) স্বপ্নের ভাঙা টুকরা
(৭৫) শীতের কুহু, সূর্যের আলো
(৭৬) মনের জঞ্জাল
(৭৭) দূরত্বের সেতু
(৭৮) মা-বাবার চরণে
(৭৯) অমৃতের ঋণ
(৮০) শূন্যতা
(৮১) স্বদেশের ডাক
(৮২) হৃদয়ের কথা
(৮৩) অমর কীর্তি
(৮৪) হৃদয়ের পাথর
(৮৫) একাকীত্বের ছোঁয়া
(৮৬) অন্ধকারের ছায়া
(৮৭) সমুদ্রতীরের স্বপ্ন ও বাস্তব
(৮৮) সমুদ্রের গভীরে অসম্পূর্ণ প্রেম
(৮৯) ধর্মের নামে রাজনীতি
(৯০) আবদ্ধ নয়-মুক্ত
(৯১) পরিবারের আলো
(৯২) তোমার চোখের নিলাম্বু
(৯৩) বসন্তের ডাক
(৯৪) তোমার চোখের দেশে
(৯৫) প্রকৃতির আঁচল
(৯৬) সৈকতের স্বপ্ন
(৯৭) সমুদ্রের সাক্ষী
(৯৮) মহিলা বগিতে হিংসার আগুন
(৯৯) সকালের সুর
(১০০) শীতের সকালের শুভেচ্ছা
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ১
নতুন বছর ২৫
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
পুরাতন বছর বিদায় নিচ্ছে চুপচাপ করে,
নতুন বছর আসছে ধরে ধরে।
স্বপ্নের বাতি জ্বালিয়ে রাখি হৃদয়ে,
নতুন আশায় ভরে উঠুক জীবনে।
দূরে থাকুক দ্বন্দ্ব, কলহ, বিভেদ,
আসুক শান্তি, ভালোবাসা, প্রীতি।
মানবতার পথে চলার শপথ নিই,
নতুন জীবন গড়বো মিলেমিশে।
আকাশে চাঁদ উঠুক, তারা ঝিলিক মারুক,
সারা পৃথিবী হাসিমুখে ফুটুক।
নতুন বছরের সকালে, নতুন সূর্য উঠুক,
সবার মনে আনন্দ ছড়িয়ে দিক।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ২
নতুন বছরের শুভেচ্ছা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
নতুন বছরের প্রভাতে, কলম হাতে কবিগণ,
শুভেচ্ছা জানাই তোমাদের, সকলের প্রাণে প্রাণ।
তোমাদের কলমে জন্ম নেয়, নতুন নতুন স্বপ্ন,
আশা জাগে, মন হাসে, মিলন হয় মানুষের।
তোমাদের কবিতায় পাওয়া যায়, জীবনের গভীর
প্রেম, শান্তি, সত্যের পথ, সবাইকে করে সচেতন।
তোমাদের কবিতায় জন্ম নেয়, নতুন নতুন চিন্তা,
সমাজে ছড়িয়ে পড়ে, আলোর নতুন কিরণা।
তোমাদের কবিতা আমাদের, বাঁচার নতুন উপায় শিখায়,
জীবনের রংধনুকে আরো রঙিন করে তোলে।
তোমাদের কবিতা আমাদের, সাহস দেয় স্বপ্ন দেখার,
নতুন পথে চলার, নতুন আকাশে উড়ার।
তোমাদের কবিতা আমাদের, জীবনের সঙ্গী হয়ে থাকে,
সুখে দুঃখে সব সময়, আমাদের পাশে থেকে।
তোমাদের কবিতা আমাদের, আশীর্বাদ করে সব সময়,
নতুন বছরে নতুন সৃষ্টির জন্য।
আজ তোমাদের চরণে, শ্রদ্ধা জানাই আমি,
তোমাদের কলমের জাদুতে, মুগ্ধ হই সব সময়।
নতুন বছরে নতুন সৃষ্টি হোক তোমাদের,
সারা পৃথিবী জুড়ে, ছড়িয়ে পড়ুক তোমাদের কবিতা।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৩
বছরের বিদায়, নতুন আশার সূচনা
কালের গহীনে
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
আরেকটি বছর গেল, যেন স্বপ্নের মতো,
নতুন স্বপ্ন নিয়ে আসে প্রতিটি রাত।
পুরাতন বছরের পাতা ওড়ে,
নতুন বছরের বাতি জ্বলে।
খুশি-দুঃখ মিশে গেছে,
সব স্মৃতি মনে রেখেছে।
একটি অধ্যায় শেষ হয়েছে,
নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে।
আশা করেছিলাম অনেক,
পেয়েছিলাম কিছু কম-বেশি।
অনুতাপও আছে,
স্বপ্নও আছে বেশি।
নতুন বছরের শুরুতে,
নতুন স্বপ্নের বীজ বুনি।
পুরানো ভুল শুধরে নিয়ে,
নতুন জীবন গড়ি।
আশা করি এই বছর,
হবে ভালো, হবে সুন্দর।
সুখের ছায়া থাকবে সব সময়,
দূরে থাকবে দুঃখের মেঘ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৪
বছরের বিদায়, নতুন আশার সূচনা
বদলায় কাল
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
কাল যায়, কাল আসে,
জীবন যায়, জীবন আসে।
পুরাতন বছর বিদায় নেয়,
নতুন বছর হাসি মুখে আসে।
পাতা ঝরে গাছ থেকে,
ফুল ফোটে নতুন শাখায়।
জীবনও তেমনি,
বদলে যায় প্রত্যেক দিনে।
আজকে যে কষ্ট,
কাল হয়তো সুখ।
আজকে যে স্বপ্ন,
কাল হয়তো সত্য।
তাই আশা রাখি,
নতুন বছরে ভালো কিছু হবে।
পুরানো সব ভুলে যাই,
নতুন করে শুরু করি।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৫
নতুন বছরের শুভকামনা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
কলমের জাদুতে তোমরা সাজিয়েছ শব্দ,
চিন্তার জগতে খুঁজেছ নতুন পথ।
মনের আঁধারে জ্বালিয়েছ আলোর বাতি,
সমাজের পরিবর্তনে হয়েছি তোমাদের গতি।
তোমাদের কবিতা আমাদের সঙ্গী সারা জীবন,
দেয় সাহস, দেয় শান্তি, দেয় অনুপ্রেরণা।
জীবনের রঙিন ক্যানভাসে তুলির আঁচড়,
তোমাদের কবিতা, আমাদের জীবনের স্বাদ।
নতুন বছরে নতুন স্বপ্ন, নতুন কবিতা গাও,
শব্দের জালে বুনে তুমি নতুন জগৎ।
আমরা তোমাদের কাছে শ্রদ্ধা জানাই,
তোমাদের কলমে আমাদের স্বপ্ন জাগায়।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৬
অন্ধকারের আধারে
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
অন্ধকারময় অমাবস্যার রাত, ঘরে নেমেছে মৌনতা,
শ্বশুর, শাশুড়ি, জামাই, মদ্যপানে আত্মহারা।
কলিযুগের ছায়ায় আচ্ছন্ন সবাই,
নৈতিকতার পথ হারিয়েছে কোন এক অজানা ঘাটে।
শাশুড়ি হাসিমুখে জামাইকে দেয় প্যাক,
মদ্যের মোহিনী জালে আটকে পড়েছে মন।
আধুনিকতার নামে সভ্যতা হারিয়েছে গতি,
মানবিকতা ধুয়ে মিশে গেছে নদীর জলে।
মদ্য, মাংস, নারী, তিনে মিলে এক অন্ধকার রাত,
সভ্যতার আলো নিভে গেছে, নেমেছে অন্ধকারের রাত।
কুসংস্কারের জালে আটকে পড়েছে সমাজ,
নৈতিকতার পথ হারিয়েছে মানুষের মন।
কী হবে এই সমাজের মানুষের ভবিষ্যৎ?
নতুন প্রজন্মের সন্তানেরা আরো অন্ধকার গহ্বর।
নৈতিকতার পথ হারিয়ে যাওয়ার কারণে কিন্তু
মানবতার মৃত্যু ঘনিয়ে কাল নাগিনীর ছোবল।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৭
ধর্মীয় কবিতা
আকাঙ্ক্ষার পাখি
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
প্রভু হতে চাই যদি এক ফুল,
তোমার চরণে পড়ে থাকতে চাই সারা দিন।
কোকিলের সুরে গাইতে চাই,
তোমার নাম ধরে, মন ভরে।
প্রভু হতে চাই যদি এক গাছ,
তোমার ছায়ায় বিশ্রাম দিতে চাই সবাইকে।
পাতায় পাতায় তোমার নাম লিখব,
প্রতিটি ফুলে তোমার স্মৃতি সাজাব।
প্রভু হতে চাই যদি এক নদী,
তোমার চরণ ধুয়ে, সাগরে মিলিব।
তোমার নামে গান গাইব,
প্রতিটি তরঙ্গে তোমার নাম জাগাব।
প্রভু হতে চাই যদি এক তারা,
তোমার আকাশে উজ্জ্বল হয়ে থাকব।
তোমার আলো ছড়াব,
সারা জগতে তোমার নাম ডাকব।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৮
চন্দ্রালোকের ছায়ায়
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
রাতের আকাশে চন্দ্রিমা জ্বলজ্বল করছে,
একলা বসে আছি, মনটা ভার।
তারার সঙ্গে কথা বলি,
চাঁদের আলোয় ভাসে আমার স্বপ্ন।
তোমার হাত ধরে হাঁটি, মনটা ভালো।
চাঁদের আলোয় মুখোমুখি দাঁড়িয়ে,
হৃদয়ের গভীরে ভালোবাসা জাগে।
মনটা শান্ত, হৃদয় প্রশান্ত।
তারার দীপ্তি, চাঁদের আলো,
একাকীত্ব ভুলে যাওয়া যায়।
প্রকৃতির সৌন্দর্যে মন মাতে।
তারার সঙ্গে চাঁদ নাচে,
আকাশের ছবিটা মনে রাখি।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
এই কবিতাটি ইংরেজি অনুবাদ করার জন্য হয়েছে।।
কবিতার সংখ্যা- ৯
চাঁদের আলোয় একাকী রাত
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
রাতের আকাশে চাঁদ জ্বলে, মনটা ভার,
তোমার জন্য অপেক্ষা, অস্থির এই চার দেয়াল।
তারার কাছে বলি, মনের কথা সব,
তোমার আগমন, আশা জ্বালিয়ে রাখে সব।
তোমার চোখ দুটি, চাঁদের মতো উজ্জ্বল,
আজ ম্লান হয়েছে, মনে পড়ে তোমার স্পর্শ।
অশ্রুতে ভরা চোখ, মেঘাচ্ছন্ন চাঁদের মতো,
আমার মনকে বন্দী করেছে, তোমার মায়াজাল।
তারা সবচেয়ে উজ্জ্বল, সমুদ্র সবচেয়ে গভীর,
আমার হৃদয় তোমার জন্য করে আকুল প্রার্থনা।
শান্ত রাতে চাঁদের আলো, স্মৃতি জাগায়,
তোমার ছবি ভাসে, মনে পড়ে সেই দিন।
কিন্তু মন একা, হৃদয় শূন্য
প্রশান্ত হয়ে উঠেছে, স্বর্গে এসেছি যেন
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ১০
জঙ্গলের প্রেমের রাত
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
জঙ্গলের রাত, পূর্ণিমার আলো, দুই প্রাণ
এক নিবিড় জঙ্গল, রাতের আঁধারে,
পূর্ণিমার চাঁদ, আলো ছড়িয়ে চারদিকে।
দুই প্রাণ মিলেছে, চুপ করে,
চাঁদের আলোয় মুখে হাসি ফোটে।
হরিণের চোখে তোমার ছায়া,
তোমার চোখে তারই আভা।
জঙ্গলের গানে মিশে যায়,
দুটি হৃদয়ের স্পন্দন।
তারার দীপ্তি, চাঁদের আলো,
একাকীত্ব ভুলে যাওয়া যায়।
প্রকৃতির কোলে মিলে যাওয়া,
এই রাতে স্বপ্ন সাজাওয়া।
জঙ্গলের রাজপথে, চাঁদের আলোয়,
দুই প্রাণের মিলন, আজ রাতে।
হৃদয়ের গভীরে, প্রেমের জ্বালা,
জঙ্গলের নিস্তব্ধতা ভাঙে না।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ১১
#কবিতা
#জঙ্গলেরচিরন্তনপ্রেম
#শংকরহালদারশৈলবালা
জঙ্গলের চিরন্তন প্রেম
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
জঙ্গলের রানি, তুমি রাতের রানি,
আলো করে দাও, আমার জীবনের পথ।
জঙ্গলের গভীরে, তোমার সঙ্গে হাঁটি,
হৃদয়ের গানে মিশে যাই।
পাতার সরসরানি, পাখির কলকাকলি,
নদীর খণ্ড খণ্ড জল।
প্রতিটি পাতায়, প্রতিটি ফুলে,
তোমারই ছায়া খুঁজি আমি।
তোমার চোখে আকাশের নীল,
তোমার চুলের মধ্যে বাতাসের ছোঁয়া।
জঙ্গলের গন্ধে মাতাল হয়ে,
তোমার সঙ্গে মিশে যাই।
পূর্ণিমার রাতে, চাঁদের আলোয়,
তোমার হাত ধরে হাঁটি, আজ রাতে।
হৃদয়ের গভীরে, প্রেমের জ্বালা,
জঙ্গলের নিস্তব্ধতা ভাঙে না।
জীবনের সব স্বপ্ন তুমি,
তোমার সঙ্গে চিরকাল থাকতে চাই।
জঙ্গলের রানি, তুমি রাতের রানি,
আলো করে দাও, আমার জীবনের পথ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ১২
নিশীথের প্রেম
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
নিশীথের রাত, তারার আলোয় ভরা,
জঙ্গলের মতো ঘন হয়েছে আমার মন।
তোমার হৃদয়ের গভীরে, আমি হারিয়ে গেছি,
এক নিবিড় অন্ধকারে, যেন রাতের আকাশ।
চাঁদের আলোয় সাজানো, আমাদের এই রাত,
সমুদ্রের মতো গভীর, অনন্ত।
তোমার চোখ দুটি, দুটি তারা,
আমার মনকে আকর্ষণ করে চলেছে।
মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, শ্বাস প্রশ্বাস মিশে যায়,
যেন দুটি নদীর স্রোত মিলিত হয়েছে।
হৃদয়ের গভীরে, প্রেমের জ্বালা,
একটি আগুনের মতো জ্বলছে।
চুম্বনের আদান-প্রদানে, মিলিত হয়েছে দুটি প্রাণ,
যেন দুটি ফুল এক হয়েছে।
নিশীথের ছায়ায়, দুটি হৃদয়ের মিলন,
একটি স্বপ্নের মতো মনে হয়।
আজ রাতে স্বর্গে এসেছি, তোমার কাছে,
যেন কোনো পাখি ফিরেছে তার বাসায়।
বাঁশি বাজে, ধুপের সুগন্ধি,
একটি মন্দিরের মতো শান্তি।
হাতে হাত ধরে নাচবো, গাইবো গান,
যেন দুটি পাতা বাতাসে নাচছে।
পৃথিবীতে আর কেউ নেই,
শুধু তুমি আর আমি, একাকী দ্বীপ।
আজ রাতে স্বপ্ন সাজাচ্ছি, তোমার সাথে,
একটি সুন্দর ভবিষ্যতের।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ১৩
নিশীথের রহস্য
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
অন্ধকারের চাদরে ঢাকা রাত,
তারার আলোয় জ্বলে মন।
নিশীথের নিস্তব্ধতায়, মনকে ডাকে,
হারিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে।
চাঁদের আলোয় নাচে ছায়া,
মনে হয়, কোথাও কেউ আছে।
হাওয়ায় মিশে যায় শব্দ,
রাতের রহস্যে মন ভরে।
কালো আকাশ, মেঘের আড়ালে,
তারা জ্বলে, মনে হয় কাঁদে।
হৃদয়ের গভীরে, একাকীত্বের জ্বালা,
রাতের নিস্তব্ধতা ভাঙে না।
অন্ধকারে হারিয়ে যাই,
আমি আর তুমি, একাকী দ্বীপ।
রাতের রহস্যে মিশে যাই,
আজ রাতে স্বপ্ন দেখি, তোমার সাথে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ১৪
নবজীবনের সূচনা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
আজ রাতে নবজীবনের সূচনা, মন ভরে,
লাল শাড়িতে সাজানো, নববধূর মনে।
চোখে স্বপ্ন, হাতে হাত, নতুন পথে চলি,
অজানা ভবিষ্যতে আশা জ্বলে।
চাঁদের আলোয় তোমার চোখে নিজেকে খুঁজি,
হৃদয়ের গভীরে ভালোবাসা জাগে সুমি।
তোমার কোলে শান্তি পাই, ভয় ভুলে যাই,
তোমার হাসি আমার শক্তি, তোমার ভালোবাসা জীবন।
হাতে হাত ধরে চলব সারা জীবন, তোমার সাথে,
নতুন পৃথিবীতে স্বপ্ন সাজাই।
তোমার সাথে স্বর্গে এসেছি, আজ রাতে,
এই প্রেমের বাঁধনে নিজেকে গাঁথায়।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ১৫
প্রথম বাসর রাতের স্বপ্ন
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
আজ রাতে নতুন জীবনের সূচনা,
হৃদয় ধড়ফড় করে অনেক।
লাল শাড়িতে সাজানো,
নববধূর মনটা কেমন অস্থির।
চোখে ভরা স্বপ্ন, হাতে হাত ধরে,
নতুন পৃথিবীতে পা বাড়াবো।
অজানা ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে,
হৃদয় কাঁপে, মন ভাঙে।
চাঁদের আলোয় মুখোমুখি দাঁড়িয়ে,
চোখ মিলিয়ে কথা বলি।
হৃদয়ের গভীরে ভালোবাসা জাগে,
আজ রাতে নতুন পৃথিবীতে পা বাড়াবো।
তোমার চোখে নিজেকে খুঁজে পাই,
আজ রাতে আমরা এক হব।
হাতে হাত ধরে চলবো সারা জীবন, তোমার সাথে।
তোমার কোলে শান্তি পাই, ভয় ভুলে যাই।
আজ রাতে নতুন জীবনের সূচনা, তোমার সাথে।
তোমার হাসি আমার শক্তি,
তোমার ভালোবাসা আমার জীবন।
আজ রাতে স্বর্গে এসেছি, তোমার কাছে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
এই কবিতাটি ইংরেজি অনুবাদ করার জন্য নয় হয়েছে।
কবিতার সংখ্যা- ১৬
অমিত্রাক্ষর ছন্দে
নারীর সৌন্দর্য বোঝা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
নারীর কামনা, পুরুষের স্বপ্ন,
এক অবিচ্ছেদ্য বন্ধন।
শরীরের আকর্ষণ, মনের মিলন,
প্রেমের গান, জীবনের স্বাদ।
সাদা ত্বকের আভা, কম বস্ত্রের আভা,
নারীর সৌন্দর্যের আবেদন।
দর্পণে নিজেকে দেখে, মুগ্ধ হওয়ার কারণ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ১৭
অমিত্রাক্ষর ছন্দে:
মুখোশের আড়ালে
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
"পুরুষত্বের শক্তি,
নারীত্বের সৌন্দর্য,
প্রকৃতির নিয়ম।"
"সাদা চামড়াকে পুঁজি
করে স্বল্পবসনা হয়ে যে
সেলিব্রেটি বনে যাও"
"শুভ্র কামিনীর স্বল্পবস্ত্রে ঢাকা দেহ,
নীলাকাশে মেঘের ছায়া,
দর্পণে নিজেকে দেখে,
মুগ্ধ হওয়ার কারণ।"
"শ্বেত বিড়ালের মতো,
নীরবে চলে যাওয়ার ভাগ্য,
যদি না থাকতো কোনো আকর্ষণ।"
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ১৮
নারী অন্ধকারের আলো
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
পুরুষের হৃদয়, নারীর মন, প্রেমের বন্ধন,
শুভ্র কামিনীর স্বল্পবস্ত্রে ঢাকা দেহ,
নীলাকাশে মেঘের ছায়া,
দর্পণে নিজেকে দেখে,
মুগ্ধ হওয়ার কারণ।
শ্বেত বিড়ালের মতো,
নীরবে চলে যাওয়ার ভাগ্য,
যদি না থাকতো কোনো আকর্ষণ।
সাজগোজে যৌবন,
স্বপ্নের জালে আবদ্ধ,
সমাজের চোখে,
নিজেকে খুঁজে পাওয়া কঠিন।
প্রেমের নামে ব্যবসা,
শরীরের বিনিময়,
নারীর অধিকার,
কেন এত অবহেলিত?
প্রকৃতির মতোই নারী,
সুন্দর, কোমল, সবুজ,
কিন্তু কেন বন্দী, কেন এত কষ্ট?
ময়ূরের পালকের মতো সাজে,
কিন্তু বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম।
নদীর মতো প্রবাহিত, স্বপ্নের দিকে,
কিন্তু পাথরের বাঁধে আটকে,
আকাশের মতো বিশাল,
কিন্তু ছোট্ট ঘরের মধ্যে বন্দী।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
শব্দমালা গ্রন্থের কবিতার সংখ্যা- ১৯
অনুভূতির জাগরণ
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
স্বপ্নের ফুল ফুটেছে মনে,
পাখির মতো উড়তে চায় মনে মনে।
সূর্যের মতো জ্বলে উঠতে চায়,
নারীর হৃদয়ে নতুন স্বপ্ন জাগে।
সমাজের বাঁধনে আটকে থাকা,
ফুলের মতো মুখ খুলে হাসতে চায়।
আকাশ ছুঁতে চায়, মেঘকে ছুঁয়ে দেখতে চায়,
নতুন জীবন, নতুন স্বপ্ন দেখতে চায়।
অন্ধকার রাত কেটে যাবে,
সূর্য উঠবে, আলো ছড়াবে।
নারীর মনে জাগবে নতুন স্বপ্ন,
সমাজের পরিবর্তন আনবে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
শব্দমালা গ্রন্থের কবিতার সংখ্যা- ২০
বন্দী নারীর স্বপ্ন
৩২
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
বেড়াজালে আটকে, স্বপ্নের পিঁজরে,
নারী হৃদয় কাঁদে নিরবে নিরবে।
সমাজের বাধা, রীতির নিষেধ,
জীবনের যুদ্ধে সে একা খেলে।
অন্ধকার রাতে, তারা খুঁজে চলে,
স্বাধীনতার পথে, আলোর দিকে।
সংগ্রামের ময়দানে, অবিচল থাকে,
বিজয়ের স্বাদ আসবে, সে জানে।
ফুলের মতো সুন্দর, পাথরের মতো শক্ত,
নারী শক্তি, এক অবিশ্বাস্য শক্তি।
সমস্যা আসুক, তুফান আসুক,
সে জয় করবে, এটাই সত্যি।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ২১
সময়ের সাক্ষী নারী
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
আদিম থেকে আজ, যুগে যুগে,
নারী লড়েছে, স্বপ্ন সাজিয়ে।
শিলা থেকে সিংহাসন, অন্ধকার থেকে আলো,
সমাজের বেড়াজাল ছিন্ন করে।
বিজ্ঞানের আলোয় জ্ঞানের জ্যোৎস্না,
সমাজ গড়েছে নতুন পথে।
সমান অধিকার, সমান সম্মান,
নারী শক্তি, অমর স্বপ্নের জন্মে।
ফুলের মতো সুন্দর, পাথরের মতো শক্ত,
সমস্যা আসুক, তুফান আসুক,
অবিচল চিত্তে লক্ষ্যে যাবে,
নারী শক্তি, অমর স্বপ্নের জন্মে।
ভবিষ্যতের পাতায় লেখা, নতুন যাত্রা,
সমাজের পরিবর্তন, নারীর হাতে।
স্বাধীনতার পতাকা উড়িয়ে,
নারী শক্তি, অমর স্বপ্নের জন্মে।
দুঃখের সাগরে ডুবে, আবার উঠেছে সে,
সাহসের জ্বালায় পুড়ে, সে জয় করেছে সব।
অসাধ্যকে সহজ করে, নতুন ইতিহাস গড়ে,
আজ তার নাম, সকলের মুখে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ২২
সমাজের স্তম্ভ নারী
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
মাতৃগর্ভ থেকে জীবনের সূচনা,
নারী শক্তি, সৃষ্টির মূল কাণ্ডা।
কৃষিক্ষেতে শস্য ফলায়,
ঘরে আগুন জ্বালায়।
সন্তানের লালন-পালন,
স্বপ্নের জাল বাঁধায়।
বিজ্ঞানের পথে আলো ছড়ায়,
সাহিত্যে রচনা করে।
রাজনীতির ময়দানে যুদ্ধ করে,
সমাজকে গড়ে তোলে।
চিকিৎসায় রোগী সারায়, শিক্ষায় মনগড়ে।
সমাজের উন্নয়নে, নারীই সামনে।
কলকারখানায় কাজ করে,
ঘরের কাজ সামলায়,
অনেক ভূমিকা পালন করে,
নিজেকে গড়ে তোলে।
সমাজের বাধা, রীতির নিষেধ,
তবুও এগিয়ে যায়, অবিচল চেতনা নিয়ে।
ইতিহাসের পাতায় লেখা, তার সংগ্রামের গল্প,
দাসী থেকে রানী, অন্ধকার থেকে আলোর পথ।
ভবিষ্যতের পাতায় লেখা, নারীর নতুন যাত্রা,
সমান অধিকার, সমান সম্মান, সমান সুযোগ।
নারীর শক্তি অসীম, স্বপ্নের পথে চলে,
সমাজের উন্নয়নে, নারীই সামনে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ২৩
দাম্পত্য জীবনের সমস্যা নিয়ে একটি কবিতা
"আঁধারের আলো"
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
সাত সমুদ্র পার করে, এসেছিলাম তোর কাছে,
এক আশা, এক স্বপ্ন, হাতে হাতে।
দুটি হৃদয় মিলে, গড়তে চেয়েছিলাম সংসার,
কিন্তু ধীরে ধীরে, হারিয়ে গেল সেই তারা।
শুরুতে মধুর কথা, এখন কথা কাটাকাটি,
হাসি আনন্দ ছিল, এখন কেঁদে কেঁদে কাটি।
অভিমানের বেড়াজাল, ঘিরে রেখেছে আমায়,
তোর কাছে হারিয়ে গেছি, আমি নিজেকে ভুলে যাই।
এক সময় মনে হতো, তুই আমার সবকিছু,
এখন মনে হয়, আমরা দুজন দুটি বিশ্ব।
তোর চোখে আর খুঁজি না, সেই আগের আলো,
আমার মনে হচ্ছে, হারিয়ে গেছে আমাদের প্রেমের জোয়ার।
আমি চাই, আবার ফিরে আসুক সেই দিন,
যখন আমরা ছিলাম, দুটি মনের মিলন।
আমি চাই, তোর হাসি ফিরিয়ে আনতে,
আমাদের সম্পর্ককে, নতুন করে গড়তে।
কিন্তু কিভাবে? কী করে? জানি না,
হয়তো সময়ের গতি, আমাদের দূরে সরিয়েছে।
তবুও আশা করি, কোন একদিন,
আমরা আবার এক হবো, নতুন করে শুরু করবো।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ইংরেজিতে অনুবাদ করার জন্য কবিতাটি নেওয়া হয়েছে।
কবিতার সংখ্যা- ২৪
প্রেমিকাকে হারানোর বিরহ জ্বালা: কবিতা
"অন্ধকার রাত"
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
তোমার ছায়া ছিল আমার সঙ্গী,
প্রতিটি রাত, প্রতিটি দিন।
তোমার হাসি ছিল আমার আলো,
এখন শুধু অন্ধকারের ছায়া।
তোমার কণ্ঠে শুনতাম সুর,
এখন শুধু নীরবতা।
তোমার চোখে দেখতাম স্বপ্ন,
এখন শুধু ক্ষতের চিহ্ন।
বিরহের জ্বালা পুড়িয়ে চলে,
হৃদয়ে জেগেছে কষ্টের জ্বালা।
মনে হয়, তুমি এখনও কাছে,
কিন্তু স্পর্শ করতে পারি না, তোমার হাত।
তোমার নাম ধরে ডাকি,
কোথাও কোথাও মনে হয়,
তুমি ফিরে আসবে,
একদিন, একবার।
কিন্তু বাস্তবতা কঠিন,
তুমি আর নেই আমার কাছে।
শুধু স্মৃতিগুলো বেঁচে আছে,
মনের কোণে লুকিয়ে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ২৫
"অসমাপ্ত গান"
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
আমাদের প্রেমের গান, অসমাপ্ত রইলো,
মনের কোণে এখনও বাজে।
তুমি চলে গেলে, আমার জীবন শূন্য হয়ে গেল,
একাকীতার অন্ধকারে, আমি হারিয়ে গেলাম।
তোমার স্মৃতি আমার সঙ্গী,
প্রতিটি রাতে, প্রতিটি দিনে।
কিন্তু স্মৃতি আমাকে কষ্ট দেয়,
যখন তোমাকে খুঁজি, চারদিকে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ২৬
বৃদ্ধ বয়সে যৌবনের স্মৃতি
কালের গহীনে
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
যৌবনে যে স্বপ্ন সাজিয়েছিলাম,
দুটি হৃদয়ের মিলনে।
আজ সে স্বপ্ন ভেঙে গেছে,
কালের গহীনে হারিয়ে গেছে।
যৌবনের আগুনে পুড়েছিলাম,
প্রেমের সাগরে ডুবেছিলাম।
আজ বুড়ো হয়ে গেছি,
শুধু স্মৃতিগুলো বেঁচে আছে।
তোমার হাসি, তোমার চোখের নিরালা,
আজও মনে পড়ে রাতের আঁধারে।
কিন্তু ভাগ্যের খেলায়,
আমরা দুজন দূরে দূরে।
বৃদ্ধ বয়সে এসে বুঝলাম,
প্রেমের গভীরতা,
সময়ের সাথে ম্লান হয়ে যায় না।
শুধু মনটা একটু ক্লান্ত হয়ে যায়।
আজও তোমাকে ভালোবাসি,
যেমন করেছিলাম আগে।
শুধু এবার আর কাছে যেতে পারি না,
তোমার হাত ধরে চলতে পারি না।
কালের গহীনে হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন,
আজও মনে পড়ে, রাতের আঁধারে।
তোমার স্মৃতি আমার সঙ্গী,
যাবত জীবন, সদা সঙ্গী।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ২৭
বদলায় কাল
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
কাল যায়, কাল আসে,
জীবন যায়, জীবন আসে।
পুরাতন বছর বিদায় নেয়,
নতুন বছর হাসি মুখে আসে।
পাতা ঝরে গাছ থেকে,
ফুল ফোটে নতুন শাখায়।
জীবনও তেমনি,
বদলে যায় প্রত্যেক দিনে।
আজকে যে কষ্ট,
কাল হয়তো সুখ।
আজকে যে স্বপ্ন,
কাল হয়তো সত্য।
তাই আশা রাখি,
নতুন বছরে ভালো কিছু হবে।
পুরানো সব ভুলে যাই,
নতুন করে শুরু করি।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ২৮
কবির বেদনা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
কলমে ঝরে কথা, হৃদয়ের গভীর থেকে,
স্বপ্নের জগতে হারিয়ে যাই প্রত্যেক রাত্রে।
কিন্তু কেউ শোনে না, কেউ বুঝে না,
একাকীতায় ডুবে যাই, দিনের পর দিন।
সাহিত্যের আকাশে, আমি ছোট্ট এক তারা,
আলো ছড়াতে চাই, কিন্তু কেউ দেখে না।
অবহেলার ছায়া, পড়ে আমার উপর,
আঘাত পেয়েও, লিখে চলি সারারাত্রি।
সুখ-দুঃখের সংমিশ্রণে, জীবন যায় কাটিয়ে,
কবিতায় ঢেলে দিই, সব অনুভূতি।
কখনো মনে হয়, আমি একা,
কখনো মনে হয়, আমিই পৃথিবী।
কিন্তু কেন এই অবহেলা, কেন এই একাকীতা?
এই প্রশ্নের উত্তর, খুঁজি প্রতি রাতে।
হয়তো আমার কবিতা, তাদের মন ছুঁয়ে না,
হয়তো আমার কণ্ঠ, তাদের কাছে পৌঁছায় না।
তবুও লিখব, সারা জীবন,
আমার মনের কথা, আমার অনুভূতি।
কোনো একদিন হয়তো, কেউ বুঝবে আমায়,
আমার কবিতার মধ্যে, পাবে নিজেকে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ২৯
হৃদয়ের ক্ষত
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
সাহিত্যের আসরে সুনাম,
কিন্তু ঘরে শূন্যতা রাজ করে।
কলমে ঝরে কবিতা,
হৃদয়ে জ্বলে বিরহের আগুন।
পরিবারের সদস্যরা,
আজও বুঝে না আমার যন্ত্রণা।
সম্মানের মুখোশ পড়ে,
অবহেলার ছুরি আঁচড় দেয়।
অনলাইনে ভালোবাসা খুঁজি,
টাকার বিনিময়ে মায়া কিনি।
মেয়ে জামাই, সহধর্মিনী কেউ নেই,
বিচ্ছিন্ন হয়ে যাই, প্রতিটি দিনে।
মদ্যপানে আশ্রয় নিই,
বিরহের জ্বালা ভুলতে।
কিন্তু মদ আরও বাড়ায় কষ্ট,
হারিয়ে যাই নিজেকে মুহূর্তে মুহূর্তে।
কবির হৃদয় কেন এত কষ্ট পায়?
সমাজের দোষ না, নিজের দোষ?
একাকীতার অন্ধকারে,
আমি হারিয়ে যাই, হারিয়ে যাই।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৩০
কবিতা: বই থেকে বাইটে
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
কিশোর বয়সে, গোপনে পড়তাম,
শরৎচন্দ্রের কথা, মনে রাখতাম।
বাবার বেত, মায়ের চোখের জ্বালা,
তবুও বই ছিল আমার সাথী সকাল।
পাঠ্যপুস্তক ফেলে, লুকিয়ে পড়তাম,
মনের কোণে স্বপ্নের জাল বুনতাম।
শব্দের জাদুতে মুগ্ধ হতাম,
নতুন জগতে নিজেকে হারাতাম।
কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে,
বইয়ের প্রতি আকর্ষণ কমে যায়।
মোবাইলের আলোয়, মন হারিয়ে যায়,
ঘন্টার পর ঘন্টা, বসে থাকি।
কোথায় গেল সেই দিন,
যখন বই ছিল আমার একমাত্র বন্ধু?
কোথায় গেল সেই আগ্রহ,
যখন কলমে লিখতাম কবিতা?
বয়সের সাথে পরিবর্তন হয়,
শখও বদলায়, এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু মনে হয়, কিছু একটা হারিয়ে গেছে,
কিছু একটা খুঁজে পাওয়া যায় না।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৩১
বিরহের বেদনা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
বিরহের বেদনা, এক অসহ্য যন্ত্রণা,
দিন কাটে না তোমার ছায়া ছাড়া।
চোখের জলে ভাসে, মনের মাঝে তুমি,
তোমার নামে ডাকি, মনে হয় তুমি সঙ্গী।
ছবির কাছে গিয়ে, চুপচাপ বসে থাকি,
তোমার মুখের হাসি, মনে পড়ে আবার আবার।
স্মৃতির বাঁধ ভেঙে, আসে জোয়ারের মত,
তোমার ছাড়া এই জীবন, এক অন্ধকার রাত।
তোমার স্পর্শের ছোঁয়া, মনে পড়ে এখনও,
হৃদয়ের গহীনে, তোমার নাম মনে রাখি।
তোমার বিরহে আমি, একাকী হয়ে পড়ি,
তোমার জন্যে, আমার মন কাঁদে।
তোমার স্মৃতি আমার, সবচেয়ে প্রিয় ধন,
তোমার ছাড়া আমার জীবন, অর্থহীন।
তোমার নামে ডাকি, আকাশে বাতাসে,
তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা, চিরকাল স্থায়ী।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৩২
সস্তার লোভে
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
সস্তার লোভে মন মুগ্ধ,
গুণের চেয়ে দাম দেখে চক্ষু।
ব্যক্তিত্বহীন বন্ধু চায়,
প্রতিবাদীকে করে ঘৃণা।
মিথ্যাবাদীর মুখে মধু ঝরে,
সত্যের পথে কাঁটা ছড়ায়।
সস্তার তিন অবস্থা, জীবনের বাস্তবতা,
সত্যকে ছাপিয়ে মিথ্যা বাজায়।
সস্তা জিনিসের আকর্ষণে,
গুণের মূল্য হয় না বোঝা।
সত্যের পথে চলতে কষ্ট হয়,
মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়।
ব্যক্তিত্বহীনতা, মিথ্যাবাদ,
এই সবই যেন একটা রোগ।
সমাজে ছড়িয়ে পড়ে,
বিষের মতো করে ক্ষত।
সত্যের আলোয় জ্বলে উঠি,
মিথ্যাবাদীদের মুখোশ খুলে ফেলি।
সত্যের পথে চলি,
সত্যের জয়গান গাই।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৩৩
বজ্রের গর্জন, প্রকৃতির ক্রোধ
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
সূর্যের তপ্ত আলোতে, উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভূমি,
বাতাস হালকা হয়ে, উঠে যায় আকাশে স্বর্গী।
শূন্যতা তৈরি হয়, তখনই ঠান্ডা বাতাস ছুটে আসে,
ঘর্ষণের জ্বালায়, বিদ্যুৎ চমকে আকাশে।
মেঘের গর্জন শুনে, প্রকৃতির ক্রোধ জাগে,
বৃষ্টি নামে ধারায়, প্রাণের পিপাসা মিটাবে।
বজ্রের আলোয় আলোকিত হয় আকাশ,
প্রকৃতির এই রোষ, কতই না আশ্চর্য।
বাতাসের এই নৃত্য, মেঘের এই খেলা,
প্রকৃতির সৌন্দর্যের এক অনন্য দৃশ্যা।
বিজ্ঞানের চোখে যদিও এর ব্যাখ্যা আছে,
কবিতার মনে, এ এক রহস্যময় নাচ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৩৪
শাসনের খেলা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
পুরনো চালে ভাতে বাড়ে, শাসনের খেলায়,
ক্ষমতার আসনে বসে, কেউ কেউ বেঁচে থাকে।
বলির পাঠা হয় জনতা, দিনের পর দিন,
কলমের খোঁচায় লেখা হয়, নতুন নতুন কিন।
অন্ধকারে আলো খুঁজি, কিন্তু পাওয়া যায় না,
সত্যের পথে বাধা, কাঁটার মতো গড়ে ওঠে।
পেটের দায়ে চুরি, কেউ করে না লুকিয়ে,
কলমের খোঁচায় চুরি, হয় আড়ালে লুকিয়ে।
শাসকের কথা সত্য, বিরোধীদের মিথ্যা,
এই বিতর্ক চলে, দিনের পর দিন।
জনতা মুখ বন্ধ করে, ভয় পায় কথা বলতে,
সত্যের সন্ধানে, নিজেকে হারিয়ে ফেলে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৩৫
মায়ের নামে
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
মায়ের নামে সবাই, করে বড় বড় কথা,
কিন্তু কাজে দেখা যায়, শুধুই নাটক, নাটক।
আমিষ নিরামিষ সবাই, মায়ের ভক্ত বলে,
কিন্তু কাজে দেখা যায়, মায়ের নামে কেবল খেলা।
মদ লাগে মায়ের পূজায়, কে বলেছে এই কথা?
সনাতন ধর্মের গ্রন্থে, এমন কোনো কথা নাই।
কলি যুগের মানুষ, করে মিথ্যা প্রচার,
মায়ের নামে করে, বড় বড় অপচার।
মা কখনো চায় না, মদ্যপান করতে,
মা কখনো চায় না, মিথ্যা কথা বলতে।
মা চায় সত্য কথা, মা চায় ভালো কাজ,
মা চায় সকলে যেন, হয় সৎ ও সাজ।
তোমরা যারা মায়ের নামে, করে ধোঁকা,
তোমাদের এই কাজ, মায়ের জন্য লজ্জা।
মায়ের আশীর্বাদ পেতে, চাই সত্যের পথে চলা,
মিথ্যা কথা বলে, মায়ের নামে কলঙ্ক না লাগা।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৩৬
দীপঙ্করের জন্মদিনের কবিতা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
সাহিত্যের রত্ন, দীপঙ্কর নামে,
জন্মদিনে আজ, উৎসব আনে।
পায়েসের স্বাদ ভুলে, ক্রেকের লোভে,
বাঙালি ঐতিহ্যকে, তুচ্ছ করে।
কবিতার আড্ডা, স্বরচিত কবিতা,
সাহিত্যিকদের মেলা, এক অন্য রকম স্বাদ।
তবুও মনে হয়, কিছু একটা কম,
ঐতিহ্যের স্পর্শ, হারিয়ে যায় ধীরে ধীরে।
পশ্চিমা সংস্কৃতির ছোঁয়া,
বাঙালি সংস্কৃতির উপর,
এক অদ্ভুত মিশ্রণ,
নতুন প্রজন্মের চিন্তন।
জন্মদিনের শুভেচ্ছা, তোমাকে দিলাম,
সাহিত্যের পথে, সবাই তোমাকে চিনলাম।
তবুও মনে রাখো, ঐতিহ্যের মূল্য,
তাকে ভুললে, হবে বিপদে পড়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৩৭
দুর্বল দেশ, দুর্ভোগের জাল
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
দেশ যদি দুর্বল হয়, মানুষের জীবন যেন জ্বালা,
ধন-সম্পদ, স্বপ্ন সবই, মিশে যায় মাটির আঁধারে।
বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, দেখেছি আমরা,
যুদ্ধের আগুনে, জ্বলে পুড়ে ছারখার।
কোটি টাকার বাড়ি, স্বপ্নের বাসা,
ক্ষণে ক্ষণে ধ্বংস, হয়ে যায় ধ্বংসাবশেষ।
ব্যাংকের জমা, ব্যবসার সবটুকু,
এক নিমিষে হারিয়ে যায়, শূন্য হয়ে যায় পেট।
নিরাপত্তা নেই, ভয়ের ছায়া ঘিরে,
পরিবার নিয়ে, ছিটমহলে আশ্রয় নিতে হয়।
অনাহারে, নিদ্রাহীন, চাতকের মতো,
জীবনের আশা, ধীরে ধীরে মরে যায়।
শক্তিশালী দেশ, মানুষের আশ্রয়,
দুর্বল দেশে, জীবন মনে হয় যেন কষ্ট।
সকলের জন্য, সুরক্ষা দিতে হবে,
দেশকে শক্তিশালী করতে হবে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ইংরেজি অনুবাদ করার জন্য নোয়া হয়েছে
কবিতার সংখ্যা- ৩৮
দেশপ্রেমের জ্বালা, দেশের দুর্দশা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
দেশ শক্তিহীন হলে, সবাই হবে শরণার্থী,
পাঁচ মিনিটেই বদলে যাবে জীবনের গতি।
স্বপ্নের বাড়ি, জমি, সব হারিয়ে যাবে,
দেশের মাটিতেই, শরণার্থী হয়ে থাকবে।
নেতারা দেশ ছেড়ে যাবে, স্বার্থে আঁখি মুদে,
নাগরিকরা ভুগবে, দুঃখে কাতর হবে।
বিনামূল্যে চাল, ডাল, সস্তায় তেল,
এসবের লোভে, দেশকে বিক্রি করবে না।
দেশের স্বার্থ সবার আগে, এই সত্য মনে রাখো,
নেতাদের হাতে দেশ, সোঁপে না তোমরা।
শক্তিশালী দেশ গড়তে, সবাই মিলে কাজ করি,
সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, স্বপ্ন আমাদের জাগি।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৩৯
কালো মেঘের ছায়ায়
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
মনের আকাশে কালো মেঘ,
বৃষ্টি নামে না, শুধু কান্না।
সাথী হারিয়ে, অন্তর জ্বলে,
স্বপ্ন ভেঙে, আশা মরে।
একাকীতার অন্ধকারে,
হারিয়ে যাই নিজেকে,
মনে হয়, এই দুঃখের সাগরে,
ডুবে যাবো চিরদিনে।
কালো মেঘের ছায়ায়,
হারিয়ে যায় সব আলো,
মনের আকাশে,
শুধু কাঁদে মন।
একাকীতার রাতে,
চাঁদও যেন নিভে যায়,
তারার আলোও,
আজ আর লাগে না।
কবে যাবে এই দিন,
কবে ফিরবে আনন্দ?
মনের আকাশে,
ফুটবে ফুল নতুন।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৪০
বাংলা ভাষার জন্মকথা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
খ্রিস্টপূর্বের কালে, সিন্ধুতীর ধারে,
জন্ম হয়েছিল বাংলা ভাষার।
কোনো নির্দিষ্ট দিন, কোনো নির্দিষ্ট বছর,
না, জানা যায় না, এর জন্মের গল্প।
বনের বাঁশি, নদীর ছলছল জলে,
মনের ভাবনা, সুরে মিশে গেলে,
জন্ম হয়েছিল বাংলা ভাষার,
অনন্ত কালের গানে।
মানুষের মনে, মনের মতো করে,
বাংলা ভাষা, জন্ম নিয়েছে ধীরে ধীরে।
কালের পর কাল, বদলেছে রূপ,
তবুও রয়ে গেছে, তার মূল স্বরূপ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৪১
বাংলা ভাষার যাত্রা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
কালের গর্ভে, অতীতের কোলে,
জন্ম নিয়েছিল বাংলা ভাষা।
বিভিন্ন রূপ ধরে, বদলেছে চেহারা,
তবুও রয়ে গেছে, তার মূল স্বভাব।
ললিত বিস্তারে, প্রথম দেখা মিলে,
বাংলা সাহিত্যের, সেই প্রাচীন কালে।
খ্রিস্টপূর্বের যুগে, শুরু হয়েছিল যাত্রা,
আজও চলেছে, এই অবিরাম গতি।
কালের স্রোতে, ভাষা বয়ে চলে,
নতুন নতুন শব্দ, নতুন নতুন জলে।
মানুষের মনে, মনের মতো করে,
বাংলা ভাষা, জন্ম নিয়েছে ধীরে ধীরে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৪২
বাংলা সাহিত্যের যাত্রা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
সিন্ধুতীর থেকে বাংলায় এসে,
বনে বনে ফুটে উঠল কবির কণ্ঠ।
চর্যাপদে সুর, প্রাচীন কালের স্মৃতি,
বাংলা সাহিত্যের জন্মলগ্নের গান।
মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি,
ভাষা, সাহিত্য, সমৃদ্ধি পেল।
শ্রীচৈতন্যের ভাবের ছোঁয়া,
বাংলা সাহিত্যে নতুন জোয়ার।
আধুনিক যুগের আলো
রবীন্দ্রনাথের বাণী, বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে,
বিশ্বসাহিত্যে বাংলায় আসন করে।
তারপর নজরুল, শরৎ, আরো অনেকে,
বাংলা সাহিত্যকে করেছে সমৃদ্ধ।
প্রবীরের অবদান
প্রবীর কুমার বিশ্বাস, নতুন এক অধ্যায়,
দুই হাজার কবির কণ্ঠ একত্রিত করে।
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে,
নতুন এক অধ্যায় যুক্ত করে।
ভবিষ্যতের আশা
বাংলা সাহিত্য চিরকাল বাঁচবে,
নতুন নতুন কবির কণ্ঠে।
বিশ্বের মানচিত্রে বাংলা জ্বলবে,
সাহিত্যের আলোয়, সারা জগতে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৪৩
চর্যাপদের যাত্রা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
সরহ পা শুরু করে, চর্যাপদের গান,
প্রথম শতাব্দিতে, খ্রিস্টপূর্বের কালে।
বৌদ্ধ ভিক্ষুরা, পাহাড়ের গুহায়,
তপস্যায় নিমগ্ন, গান গেয়েছিল মধুর।
শান্তি পা, শরহ পা, ক্রমে বিস্তার,
চর্যাপদের রহস্য, মনের আলোয় ভরা।
প্রেম, বিরহ, জীবন, মৃত্যু, সব কিছু,
ছিল এই কবিতায়, সুন্দর ভাষায়।
বঙ্গের মাটিতে, জন্ম নিয়েছিল গান,
চর্যাপদের সুর, বাজে আজও প্রাণ।
আধুনিক কবিরা, অনুপ্রাণিত হয়ে,
লিখে চলেছে কবিতা, সুন্দর করে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৪৪
বাংলার প্রাচীন গৌরব
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
খ্রিস্টপূর্বের কাল, চার শত বছর আগে,
বাংলা ভাষায়, অনুবাদ শুরু হয়েছিল।
বিভিন্ন গ্রন্থ, নতুন রূপ পেয়েছিল,
সাহিত্যের জগতে, আলো ছড়িয়েছিল।
ইউনানীদের কথা, গঙ্গার তীরে এসে,
বাঙালির শৌর্য, গানে বেজে উঠেছিল।
গঙ্গারিডাই নামে, খ্যাতি ছড়িয়েছিল,
বাংলা ভূমি, গৌরবে ভরে উঠেছিল।
কালের গর্ভে, ইতিহাসের পাতায়,
লিখিত রয়েছে, বাংলার গৌরবের কথা।
প্রাচীন কাল থেকে, সাহিত্য চর্চা,
বাংলা ভাষায়, ছিল সর্বদা।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৪৫
বাংলা ভাষার অমর গৌরব
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
ত্রিশ কোটি কণ্ঠে, বাংলা ধ্বনিত হয়,
বিশ্বের কোণে কোণে, গান গেয়ে থাকে।
সভ্যতার ইতিহাসে, নতুন এক অধ্যায়,
বাংলা ভাষা, আজ গর্বের সাথে থাকে।
আদিম যুগ থেকে, শব্দ বয়ে চলে,
তপস্যার ধ্যানে, জন্ম নিয়েছিল গান।
চর্যাপদের কবিতা, মনের গভীরে,
বাংলা ভাষার, প্রাচীন ইতিহাস।
রবীন্দ্রনাথের বাণী, বাংলার গৌরব,
নোবেল পুরস্কার, জ্বলে উঠে আকাশে।
সাহিত্যের আলোয়, জ্বলে উঠে চিরকাল,
বাংলা ভাষা, আজও যুগ যুগ ধরে চলে।
শিক্ষার আলোয়, জ্ঞানের সাগরে,
বাংলা ভাষা, নতুন রূপ ধরে।
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সব ক্ষেত্রে,
বাংলা ভাষা, অগ্রসর হয়ে চলে।
ত্রিশ কোটি বাঙালির, আবেগের প্রতীক,
বাংলা ভাষা, আমাদের অহংকার।
ভাবিষ্যতেও, বাংলা থাকবে জীবিত,
নতুন প্রজন্মের হাতে, বাংলা আরো সমৃদ্ধ।
বাংলার কবিরা, তারকার মতো উজ্জ্বল,
সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেয় আলোক।
রবীন্দ্রনাথের সুরে, নজরুলের গানে,
বাংলা ভাষার গৌরব, গুনগুন করে চান।
আধুনিক কবিরা, নতুন পথে হাঁটে,
বাংলা সাহিত্যের ধারা, সর্বদা প্রবাহিত থাকে।
বিশ্বের মানচিত্রে, বাংলা ঝকমকে,
সাহিত্যের রঙে, সারা পৃথিবীকে রাঙিয়ে।
বাংলার কবিরা, মানুষের মনে স্পর্শ করে,
শান্তির বাণী ছড়িয়ে দেয়, সারা পৃথিবীতে।
মাতৃভাষার মধুর সুরে, বিশ্ব সাহিত্যে অবদান,
বাংলার গৌরব বিশ্বের দরবারে চিরকাল স্থায়ী।
নতুন প্রজন্মের কবিরা, স্বপ্ন বুনছে,
তাদের কলমে সাহিত্যের জ্বলে আলো।
বাংলা সাহিত্যের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।
বাংলা ভাষা, সাহিত্য, চিরকাল থাকবে জীবন্ত।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৪৫
বাংলা ভাষার অমর গৌরব
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
ত্রিশ কোটি কণ্ঠে, বাংলা ধ্বনিত হয়,
বিশ্বের কোণে কোণে, গান গেয়ে থাকে।
সভ্যতার ইতিহাসে, নতুন এক অধ্যায়,
বাংলা ভাষা, আজ গর্বের সাথে থাকে।
আদিম যুগ থেকে, শব্দ বয়ে চলে,
তপস্যার ধ্যানে, জন্ম নিয়েছিল গান।
চর্যাপদের কবিতা, মনের গভীরে,
বাংলা ভাষার, প্রাচীন ইতিহাস।
রবীন্দ্রনাথের বাণী, বাংলার গৌরব,
নোবেল পুরস্কার, জ্বলে উঠে আকাশে।
সাহিত্যের আলোয়, জ্বলে উঠে চিরকাল,
বাংলা ভাষা, আজও যুগ যুগ ধরে চলে।
শিক্ষার আলোয়, জ্ঞানের সাগরে,
বাংলা ভাষা, নতুন রূপ ধরে।
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সব ক্ষেত্রে,
বাংলা ভাষা, অগ্রসর হয়ে চলে।
ত্রিশ কোটি বাঙালির, আবেগের প্রতীক,
বাংলা ভাষা, আমাদের অহংকার।
ভাবিষ্যতেও, বাংলা থাকবে জীবিত,
নতুন প্রজন্মের হাতে, বাংলা আরো সমৃদ্ধ।
বাংলার কবিরা, তারকার মতো উজ্জ্বল,
সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেয় আলোক।
রবীন্দ্রনাথের সুরে, নজরুলের গানে,
বাংলা ভাষার গৌরব, গুনগুন করে চান।
আধুনিক কবিরা, নতুন পথে হাঁটে,
বাংলা সাহিত্যের ধারা, সর্বদা প্রবাহিত থাকে।
বিশ্বের মানচিত্রে, বাংলা ঝকমকে,
সাহিত্যের রঙে, সারা পৃথিবীকে রাঙিয়ে।
বাংলার কবিরা, মানুষের মনে স্পর্শ করে,
শান্তির বাণী ছড়িয়ে দেয়, সারা পৃথিবীতে।
মাতৃভাষার মধুর সুরে, বিশ্ব সাহিত্যে অবদান,
বাংলার গৌরব বিশ্বের দরবারে চিরকাল স্থায়ী।
নতুন প্রজন্মের কবিরা, স্বপ্ন বুনছে,
তাদের কলমে সাহিত্যের জ্বলে আলো।
বাংলা সাহিত্যের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।
বাংলা ভাষা, সাহিত্য, চিরকাল থাকবে জীবন্ত।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৪৬
রক্তাক্ত ধর্ম
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
ধর্মের নামে যুদ্ধ, বিদ্বেষের আগুন জ্বলে,
মানবতার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।
সভ্যতার ইতিহাসে লেখা রক্তাক্ত অক্ষরে,
ধর্মের অহংকারে মানুষের মৃত্যু ঘটে।
আজও শুনি, ধর্মের নামে হত্যা, লুটপাট,
নিরীহ মানুষের জীবন যায় বৃথা।
কোথায় গেল শান্তির বাণী, কোথায় গেল ভ্রাতৃত্বের বন্ধন?
ধর্মের আঁধারে হারিয়ে গেল মানবতার স্বর্ণ।
আসুন মিলে গড়ি এক নতুন পৃথিবী,
যেখানে ধর্ম হবে শান্তির পথিকৃত।
মানুষের মনে জাগরিত করি ভালোবাসার আলো,
ধর্মের নামে বিদ্বেষ আর থাকবে না।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৪৭
ধর্মের নামে যুদ্ধ
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
ধর্মের নামে রক্ত ঝরে, মানবতার বেড়ি ভেঙে।
হিংসার আগুনে পুড়ে যায়, শান্তির স্বপ্ন ভেঙে।
ইতিহাসের পাতায় লেখা রয়েছে,
ক্রুসেডারের যুদ্ধ, ইনকুইজিশন।
ধর্মের নামে হত্যা, নির্যাতন,
মানবতার উপর অত্যাচার।
আজও শুনি, ধর্মের নামে হত্যা, লুটপাট,
নিরীহ মানুষের জীবন যায় বৃথা।
মধ্যপ্রাচ্যে, আফগানিস্তানে, রোহিঙ্গার মাটিতে,
ধর্মের নামে মানুষ হয় নিরস্ত্র।
শিশুর হাসি নিভে যায়, মায়ের চোখে জল,
ধর্মের নামে বিদ্বেষ, ফেলে মানবতাকে ক্ষতবিক্ষত।
ইসলাম, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ, সিখ,
সবাই দাবি করে সত্যের পথ।
কিন্তু হৃদয়ের মন্দিরে কেন অন্ধকার?
বিদ্বেষের বীজ বপন করে কেন?
ধর্মের নামে রাজনীতি, স্বার্থের খেলা,
মানুষকে ভাগ করে, বিভক্ত করে।
শান্তির বাণী যেখানে, সেখানে যুদ্ধের শোরগোল,
ভ্রাতৃত্বের বন্ধন যেখানে, সেখানে বিচ্ছিন্নতা।
আসুন মিলে গড়ি এক নতুন পৃথিবী,
যেখানে ধর্ম হবে শান্তির পথিকৃত।
মানুষের মনে জাগরিত করি ভালোবাসার আলো,
ধর্মের নামে বিদ্বেষ আর থাকবে না।
~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৪৮
মাতৃভূমি হারানোর বেদনা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
মাতৃভূমি বাংলাদেশ ৪০ বছর পরেও ভুলতে পারিনা,
ভারতে বাস করলেও মনে হয় পরবাসী হয়ে আছি।
দূরে স্বদেশ, কাছেই মনে হয় অনেক দূর,
প্রতি রাতে স্বপ্নে ফিরে যাই আমার গ্রামের দ্বার।
অচেনা মুখ, অচেনা ভাষা, অচেনা আকাশ,
মনে পড়ে বাংলার মাটি, বাংলার হাসি আকাশ।
গঙ্গার তীরে বসে থাকি, যমুনার স্বপ্ন দেখি,
মন ভরে যায় একাকীতার শূন্যতায়।
স্বদেশের মাটির স্পর্শ পেতে চাই,
আপনজনের মুখ দেখতে চাই।
পরদেশে এসে বুঝি স্বদেশের মূল্য,
প্রতিটি মুহূর্তে মনে পড়ে বাংলার সুর।
এই পরবাসে কাটিয়ে দিন, রাত,
স্বদেশের মাটিতে ফিরে যাবো একদিন।
~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৪৯
খন্ডিত স্বপ্ন-মাতৃভূমি আকাঙ্ক্ষা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
আর কত কাল কাঁদবে স্বদেশ,
বঙ্গভূমি মাতৃভূমিতে যারা করেছে খন্ড,
তারা যেসব ধর্মীয় আর রাজনীতির ভন্ড।
স্বপ্ন বুকে নিয়ে গেছিলা পরদেশ,
আশা করেছিলা হবে নতুন জীবন।
কিন্তু পেলাম কষ্ট, পেলাম যন্ত্রণা,
অচেনা দেশে হলাম একা।
মাতৃভাষা ভুলে যেতে হয়েছে,
অন্য ভাষায় কথা বলতে শিখতে হয়েছে।
দিনের পর দিন কাজ,
রাতের পর রাত জাগরণ,
অবহেলা, অত্যাচার, দুঃখের সংসার।
স্বদেশের মাটির স্পর্শ পেতে চাই,
আপনজনের মুখ দেখতে চাই।
কবে ফিরবো আমি আমার গ্রামে,
কবে শুনবো মায়ের কোলে গানে।
স্বদেশের মাটিতে লোহিত রঙের দাগ,
কত দিন থাকবে এই ক্ষতের চাট।
ধর্মের নামে রাজনীতির খেলা,
বিভক্ত হয়েছে মানুষের মনে চেলা।
কবে হবে শান্তি, কবে ফিরবে আনন্দ?
কবে মিলবে সবাই একই বন্ধনে।
মাতৃভূমির জন্য কাঁদে প্রতিটি মন,
কবে ফিরবে স্বর্ণিম সোনার বাংলা।
ধর্ম, জাতি, বর্ণ ভুলে সবাই মিলে,
গড়বো সোনার বাংলা নতুন করে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৫০
বিভক্ত বাংলার সীমান্ত যন্ত্রণা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
স্বার্থের খেলায় বিভক্ত হলো অখণ্ড বঙ্গ,
ধর্মের নামে রাজনীতির মিথ্যা বেশ।
স্বার্থের ছুরি চালিয়ে বিধাতা বাংলাকে,
ধর্মের নামে রাজনীতির জালে ফাঁসিয়ে রাখা।
সীমান্তের দেয়াল তুলেছে মানুষের মাঝখানে,
ভুলে গেছে ভাইয়ের মতো বাঁচার স্বপ্ন।
এক নদীর জল, এক আকাশের চাঁদ,
তবু বিভক্ত হয়েছি কেন আমরা?
ধর্মীয় বিদ্বেষের আগুনে পুড়ে যাচ্ছে,
মানবতার মূল্য, ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।
এক হও, মিলিত হও, বাংলার সন্তান,
ভেঙে ফেল এই কৃত্রিম সীমানা।
ধর্মের বেড়া ভেঙে ফেলে, এক হয়ে সবাই,
গড়বো নতুন বাংলা, স্বপ্নের নয়ন।
মিলিত হয়ে সবাই, গাইবো জয়গান,
স্বাধীন বাংলার, হবে অমর নাম।
ভাইচারার বন্ধনে বাঁধা হবে হৃদয়,
স্বর্ণিম ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখবো সবাই।
সীমান্তের দেয়াল ভেঙে ফেলে, এক হবে বাংলা,
স্বদেশের মাটিতে ফুটবে নতুন ফুল।
~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৫১
ধর্মের নামে রক্তাক্ত স্বপ্ন
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
ধর্মের নামে মানবতা হারিয়ে যায়,
রক্তের নদী বয়ে যায় দিনে দিনে।
গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আগুনে পুড়ে যায়,
মানবতার সব সুন্দর স্বপ্নে।
ধর্মীয় নেতারা ক্ষমতার লোভে,
বিক্রি করে মানবতার স্বপ্ন।
ধর্মের নামে রাজনীতির খেলা,
সারা পৃথিবীকে করে ক্ষতবিক্ষত।
ধর্মের নামে হত্যা, লুটপাট,
অন্ধকার ছড়ায় চারদিকে।
শান্তির বাণী যেখানে থাকার কথা,
সেখানে শোনা যায় শুধু কান্না।
ধর্মীয় কুসংস্কারের বোঝা,
মানুষের মনে চাপা পড়ে।
হিংসার বীজ বপন করে,
শান্তির স্বপ্নকে ভেঙে দেয়।
আসুন মিলে সবাই,
ধ্বংসের এই চক্র ভাঙি।
মানবতার পথে হাঁটি,
শান্তির স্বপ্নকে বাস্তবায়ি।
ধর্মের নামে বিভেদ ভুলে যাই,
এক হয়ে থাকি সবাই।
প্রেম ও শান্তির বাণী ছড়াই,
নতুন এক পৃথিবী গড়ি।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ইংরাজি অনুবাদ করার জন্য নেওয়া হয়েছে।
কবিতার সংখ্যা- ৫২
ধর্মের নামে মানবতার অবক্ষয়”
লেখক: শংকর হালদার শৈলবালা
ব্যক্তিগত বিশ্বাস, ধর্ম নয়, মানুষের পরিচয়,
প্রকৃতির সন্তান, সবাই সমান।
বিশ্বাসের নামে দ্বন্দ্ব, কেন এত রক্তপাত?
সত্যের পথে হেঁটে, শান্তি আনতে চাই।
হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, সকল ধর্মের মানুষ,
একই আকাশের তলায়, একই পৃথিবীর বাসিন্দা।
ধর্মের নামে বিভেদ, কেন এই বিদ্বেষ?
মানবতার বন্ধনে বাঁধা হোক সবাই।
শাসকেরা ক্ষমতার লোভে, ধর্মের ব্যবসা করে,
জনগণকে ভুল পথে পরিচালিত করে।
সত্যের আলো ছড়িয়ে দাও, অন্ধকার ভাঙি,
ধর্মের নামে রাজনীতি বন্ধ করো।
ধর্মের নামে হিংসা, আর রক্তপাত বন্ধ করো,
শান্তির পথে হাঁটি, মানবতার সেবা করো।
সকল ধর্মের মানুষ মিলে, এক হয়ে থাকি,
সমাজের উন্নতির জন্য, সবাই মিলে কাজ করি।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৫৩
ধর্মের নামে বিভ্রান্তি
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
হাজারো ধর্মের আঁধারে হারিয়ে যায়,
মানবতার পথ, সত্যের আলো।
শাখা-প্রশাখা বেড়ে চলে যায়,
দোষারোপের জালে আটকে যায়।
হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ নামে,
বিভক্ত হয়েছে মানব সমাজ।
একতা হারিয়ে যায়, বিদ্বেষ বপন হয়,
ধর্মের নামে হয় রক্তাক্ত যুদ্ধ।
স্বর্গের নামে নরক গড়ে তোলা হয়,
শান্তির বাণী ভুলে যায়।
ধর্মীয় নেতারা ক্ষমতার লোভে,
মানুষকে ভুল পথে পরিচালিত করে।
আসুন মিলে সবাই,
ধ্বংসের এই চক্র ভাঙি।
মানবতার পথে হাঁটি,
শান্তির স্বপ্নকে বাস্তবায়ি।
ধর্মের নামে বিভেদ ভুলে যাই,
এক হয়ে থাকি সবাই।
প্রেম ও শান্তির বাণী ছড়াই,
নতুন এক পৃথিবী গড়ি।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৫৪
ধর্মের নামে রক্তাক্ত সংগ্রাম
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
প্রতিটি ধর্মের অন্তরে, উপধর্মের জাল,
গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আগুনে পুড়ে যায় সবকাল।
শাসকের মতো ধর্মীয় নেতা,
ক্ষমতার লোভে, চায় রাজত্বে বসে।
রেষারেষি, রক্তাক্ত সংগ্রাম,
ধর্মের নামে, মানবতার ধ্বংস।
বিশ্বাসের নামে বিভেদ,
দ্বন্দ্বের জ্বালায় পুড়ে যায় সব।
শান্তির বাণী ভুলে যায়,
হিংসার পথে ধাবমান হয়।
স্বর্গের নামে নরক গড়ে,
মানবতার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে।
আধুনিকতার আলো ছড়িয়েও,
ধর্মের অন্ধকারে আচ্ছন্ন হৃদয়।
নিজেদের মধ্যে বিভেদ, দ্বন্দ্বের জ্বালা,
ধর্মের নামে লড়াই চলে অবিরাম।
নারীর মর্যাদা লঙ্ঘিত হয়,
মানবতার স্বপ্ন ভেঙে যায়।
ক্ষমতার লোভে, রক্তাক্ত সংগ্রাম,
ধর্মের নামে হয় অমানুষিক কাজ।
শান্তির বার্তা বলে, কিন্তু হিংসা ছড়ায়,
ধর্মের নামে লোভীরা ক্ষমতা চায়।
মিথ্যাচারে ভরা স্বর্গের প্রতিশ্রুতি,
কর্মহীন শাসকেরা করে মানুষকে মূর্খ।
অট্টালিকা, কোটি টাকা, ব্যাংকে জমে,
ধর্মের নামে ব্যবসা চলে রমরমা।
জনগণের বিশ্বাসে খেলা করে,
ধর্মীয় নেতারা ক্ষমতার লোভে।
পুণ্যের নামে দান, স্বর্গের আশা,
মন্দির, মসজিদ, গির্জা, ধন্যের আধার।
কোটি কোটি টাকা খরচ, ব্যবসায়ের চক্র,
সমাজ সেবা থেকে দূরে, অনেক দূরে।
হাজারো ধর্ম, হাজারো বাণী,
রাষ্ট্রের আইন, মানুষের জীবনীশক্তি।
মিলনের বদলে বিভেদ, দ্বন্দ্বের আগুন,
সভ্যতার ইতিহাস, ধ্বংসের পথে চলো।
ধর্মের মেরুকরণ, রাজনীতির খেলা,
মানবতার মূল্য, হারিয়ে যাওয়া।
শান্তির বাণী, হিংসায় পরিণত,
সভ্যতার ধ্বংস, নিশ্চিত।
আসুন মিলে সবাই,
এই অন্ধকার ভাঙি।
মানবতার পথে হাঁটি,
শান্তির স্বপ্নকে বাস্তবায়ি।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৫৫
ধর্মের ছদ্মবেশে লুটপাট
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
ধর্মের আঁচলে লুকিয়ে, লোভের জ্বালা,
সন্ন্যাসী, ব্রহ্মচারী, মিথ্যাচারের নাট্যশালা।
শিষ্যের মনকে করে বশীভূত,
ধন-সম্পদ লুটে, নিজের পেট ভরে ফুট।
সমাজের নামে করে ব্যবসা,
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, লুটের আসর।
সত্যের আলোকে, অন্ধকার ছড়ায়,
মানুষের বিশ্বাসকে, ধ্বংস করে দেয়।
ধর্মের নামে করে ব্যভিচার,
নারীকে করে বন্দী, নিজের কামনা পূরণে।
শাস্ত্রের শ্লোক, মন্ত্রের জপ,
সবই মিথ্যা, একটা
বড় কপট।
আয় আয় সবাই, মিলে হাত বাড়াই!”
সত্যের পতাকা উড়াই,
অন্ধকারকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করি!”
শান্তির স্বপ্ন দেখি, হৃদয়ের গভীরে।”
ধর্মের মুখোশ খুলে ফেলে,
সত্যের আলোর সন্ধান করি।”
মানবিক ধর্মের নতুন পৃথিবী গড়ি,
সকল মানব জাতি সুখে করুক বাস।”
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৫৬
রাধা কৃষ্ণের প্রেমের কবিতা
রাধাকৃষ্ণের প্রেমের গান
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
বৃন্দাবনে বসন্ত, যমুনা জলে ছন্দ,
রাধার মনে কৃষ্ণের নাম, চিরকালের মন্দ।
বাঁশি মাতাল, মন মাতাল, মিলনে চায় জ্বাল।
প্রেমের রাগা, বাজে বনে, মন মুগ্ধ হয়ে যায়।
কানন কুঞ্জে লুকিয়ে, চোখে চোখে মিলিয়ে,
হৃদয়ের কথা বলে, মন মনে মিলে।
রাধা কৃষ্ণের প্রেম, অমৃতের ঝরনা,
জীবনের গান, বাজে চিরকাল।
রঙের খেলা, হাসি ফুটা, মন ভরে যায় আনন্দে।
প্রেমের বাঁধনে বাঁধা, দুই মন একাকার।
সখীদের কাছে লুকিয়ে, মিলন হয় গোপনে।
রাধাকৃষ্ণের প্রেম, অসীমের গান।
বিরহের বেদনা, মনে জ্বলে,
কৃষ্ণের বিরহে, রাধা কাঁদে।
তবুও আশা করে, মিলনের দিন,
রাধাকৃষ্ণের প্রেম, চিরন্তন।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৫৭
চৈতন্যদেবকে নিয়ে কবিতা
চৈতন্যের মহিমা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
বঙ্গভূমি জাগে, নতুন সকালে,
চৈতন্যের নামে, মন ভরে উঠে।
কৃষ্ণনামে মুখে, হৃদয়তে আনন্দ,
নৃত্যে মগ্ন হয়ে, ভুলে যায় যন্ত্রণা।
গৌরাঙ্গের জীবন, এক অদ্ভুত কাহিনী,
ভক্তির আগুনে, জ্বলে ওঠে জীবনী।
সকলকে মিলিয়ে, এক করে তিনি,
জাতি, ধর্ম ভেদে, নেই কোনো বিভেদিনী।
নবদ্বীপে জন্ম, যমুনায় স্নান,
কৃষ্ণের প্রেমে, মন হয়েছে বান্ধা।
সারা জীবন ভ্রমণ, প্রচার করেন কৃষ্ণনাম,
ভক্তদের হৃদয়ে, জ্বালায় প্রেমের আগুন।
শান্তির বাণী বয়ে, যায় দেশে দেশে,
মানুষের মনে, জাগে নতুন চেতনা।
চৈতন্যের আদর্শ, চিরকাল স্মরণীয়,
ভক্তির পথে হাঁটি, হৃদয় হোক নির্মল।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ইংরেজি অনুবাদ করার জন্য নোয়া হয়েছে।
কবিতার সংখ্যা- ৫৮
গুরুদেব কে নিয়ে কবিতা
গুরুদেবের সান্নিধ্যে
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
গুরুদেবের চরণে, মন পায় শান্তি,
জীবনের অন্ধকার, দূর হয় স্বাভাবিকভাবে।
জ্ঞানের আলো ছড়ায়, মনকে করে উজ্জ্বল,
গুরুদেবের আশীর্বাদে, জীবন হয় সফল।
অন্ধকার পথে হাঁটি, হারিয়ে যাই নিজেকে,
তখন গুরুদেবের মুখ দেখে, পাই শান্তি একটুকে।
দেখাই পথ সঠিক, জীবনের গন্তব্য,
গুরুদেবের আশীর্বাদে, মন হয় স্বচ্ছ।
জ্ঞানের সাগরে ডুবে, মন পায় বিশ্রাম,
গুরুদেবের শিক্ষায়, মন হয় নির্মল।
জীবনের রহস্য খুলে, দেখাই পথ নতুন,
গুরুদেবের আশীর্বাদে, জীবন হয় সুন্দর।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৫৯
পিতা-মাতাকে নিয়ে কবিতা
জীবনের আলো
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
পৃথিবীতে আসি যখন, কোলে তোমাদেরই আশ্রয়,
তোমরা হও আমার স্বর্গ, তোমরা হও আমার সৈয়র।
দুধের ফোঁটা দিয়ে, স্নেহের ঝরনা বর্ষায়,
জীবনের পথ দেখায়, তোমরা আমার সারথি।
শৈশবের দিনগুলো, তোমার কোলে কাটিয়েছি,
তোমার গল্প শুনে, অনেক কিছু শিখেছি।
তোমার আদর ভালবাসা, আমার জীবনের ধন,
তোমার কাছেই শিখেছি, জীবনের গান।
যখন পড়েছি, তখন সাহায্য করেছ,
যখন ভুল করেছি, তখন শুধরেছ।
তোমার আশীর্বাদে, সব কাজ সফল,
তোমার কাছেই পেয়েছি, জীবনের স্বাদ।
তোমার জন্য করেছি, অনেক কষ্ট,
তোমার জন্যই ছুটেছি, দিনরাত।
তবুও তোমার কাছে, আমি ছোট্ট একটা বাচ্চা,
তোমার আদর ভালবাসায়, পাই স্বস্তি।
তোমার বয়স যখন বাড়ে, শরীর হয় অসুস্থ,
তখন আমার মন কাঁদে, হৃদয় হয় ভারাক্রান্ত।
তোমার সেবা করি, দিনরাত এক করে,
তোমার সুখেই আমার, সুখের সংসার।
পৃথিবীতে কেউ নেই, তোমার মতো ভালো,
তোমার মতো স্নেহশীল, তোমার মতো মিষ্টি।
তোমার জন্যই আমার, এই জীবন,
তোমার আশীর্বাদে, পাই সকল সুখ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ইংরেজি অনুবাদ করার জন্য নোয়া হয়েছে
কবিতার সংখ্যা- ৬০
ছলনাময়ী দজ্জাল বউ
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
দজ্জাল বউ, মিথ্যার রানী,
চোখে চোখে ছলনা, মনে কপট কানী।
মধুর বাণীতে ফাঁদ পাতে,
সত্যকে মিথ্যা করে, সবাইকে ভুলাতে।
মাস্ক পরে চলে, নিরীহের ভঙ্গিতে,
হৃদয়ে লুকিয়ে রাখে, কুমন্ত্রণের কৌশলে।
সুন্দরী মুখের পিছনে, লুকিয়ে আছে অন্ধকার,
প্রতারণার জালে, ফাঁসায় সবাইকে বারবার।
সমাজের ভরসা ভাঙে, বিশ্বাসের বেড়ি বন্ধন,
দজ্জাল বউয়ের কারণে, হয় মানুষের যন্ত্রণা।
সত্যের জয় হবে একদিন,
মিথ্যার অন্ধকার ছড়িয়ে যাবে না।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৬১
দূরত্বের বেড়াজাল
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
বিদেশের আকাশে স্বামীর নীল জাহাজ,
এদিকে আমি একলা, চোখে ভরা আশা।
দিন গুনি, রাত কাটি, কল্পনায় তোমার ছায়া,
দূরত্বের বেড়াজালে, হারিয়ে যাই নিজে।
পরদেশের বাতাসে, তুমি ব্যস্ত কাজে,
এদিকে আমি একলা, মনে চলে আজে বাজে।
ফোনের আওয়াজে, মিলন হয় খানিকটা,
কিন্তু স্পর্শের অভাব, করে মনটা দুঃখিত।
সন্তানের হাসি, মনে আনন্দ দেয়,
তবুও তোমার অনুপস্থিতি, মনকে করে বিষাদগ্রস্ত।
স্বপ্ন দেখি রাতে, তোমার সাথে হাঁটি,
কিন্তু সকালে জেগে ওঠি, একাকীত্বে ভাসি।
দিন গুনি, মাস গুনি, বছর গুনি,
তোমার ফেরার অপেক্ষায়, মনটা কাঁদে চুপি চুপি।
এই দূরত্বের বোঝা, কতক্ষণ বহন করবো,
তোমার সঙ্গে মিলনের আশায়, আমি অধীর হয়ে আছি।
~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৬২
স্বপ্নের ভাঙা চূড়
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
সাদা কোটের ছায়ায়, অন্ধকারের ছুরি,
মেডিক্যালের দেয়ালে, চিৎকারের সুরি।
স্বপ্নের জীবন ছিন্ন, ভাঙা হৃদয়ের চুরি,
নারীর মর্যাদায়, লাগল গভীর জখমি।
স্বপ্নের পাতায় লেখা, ডাক্তার হবো বলে,
কিন্তু ভাগ্যের খেলায়, হয়ে গেলাম ভুলে।
একলা যুদ্ধে হেরে গেলাম, কান্না আসে চোখে,
সমাজের নীরবতা, করে মনটা ভোঁতা।
হাসপাতালে আশ্রয়, কিন্তু মন ভারাক্রান্ত,
সমাজের নজরে, হয়ে গেলাম অপমানিত।
ন্যায়ের আশায় চেয়েছি, কিন্তু কোথাও নেই আলো,
অন্ধকারে হারিয়ে গেলাম, একলা একা, শুধু নিরবতা
কবে আসবে সেই দিন, যখন হবে সব ঠিক,
নারী নিরাপত্তা, হবে সবার অধিকার।
উঠে দাঁড়াও বোনেরা, মিলে যুদ্ধ করি,
নির্যাতনের বিরুদ্ধে, কণ্ঠস্বর উঠাই।
কোথায় গেল নারীর স্বাধীনতা?
কোথায় গেল মানবতার মূল্যবোধ?
এই অন্ধকার রাতে, জ্বলে ওঠে প্রশ্ন,
কবে আসবে সেই দিন, যখন হবে সব সুন্দর?
আমরা চাই ন্যায়-শান্তি, সমাজের চেতনা জাগাও,
আমরা চাই নিরাপত্তা, স্বাধীনতা, নতুন সকাল আনো।
এই ঘটনা হোক শেষ, আর না হোক কোনো দুঃখ,
নারীর মর্যাদা রক্ষা করি, এই আমাদের শপথ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫ (শ্রী মা সেবাশ্রম খাটুরা মাজদিয়া নদীয়া)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ইংরাজি কবিতার জন্য নয়
কবিতার সংখ্যা- ৬৩
নতুন সূর্যের আলো
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
নতুন দিনের সূর্য উঠেছে আকাশে,
মনের আঁধার কেটে যাক আজই কাছে।
অন্ধকার ছড়িয়ে দিয়েছে পিছে পিছে,
নতুন আশার সূর্য উঠুক আজ দীপে দীপে।
সব যন্ত্রণা, সব জ্বালা ভুলে যাই,
নতুন সকালে মনকে আমি সাজাই।
আজ নতুন জীবন, নতুন স্বপ্ন গাই,
মনের আকাশে উড়ে যাই।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৬৪
সূর্যোদয়ের আশা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
অন্ধকার ছড়িয়ে দিয়েছে পিছে পিছে,
নতুন দিনের সূর্য উঠেছে আকাশে।
মনের আকাশেও হোক নতুন সূর্যোদয়,
দূর হোক সব কষ্ট, সব যন্ত্রণা, সব জ্বালা।
নতুন সকালে আশা জাগে মনে,
দূর হোক সব কষ্ট, আসুক আনন্দ জনে জনে।
আজ নতুন জীবন, নতুন স্বপ্ন গাই,
মনের আকাশে উড়ে যাই।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ইংরেজি কবিতার জন্য নয় হয়েছে
কবিতার সংখ্যা- ৬৫
নতুন দিনের স্বপ্ন
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
নতুন দিনের সূর্য উঠেছে আকাশে,
অন্ধকার ছড়িয়ে দিয়েছে পিছে পিছে।
মনের আকাশেও হোক নতুন সূর্যোদয়,
দূর হোক সব কষ্ট, সব যন্ত্রণা, সব জ্বালা।
নতুন দিনের স্বপ্ন দেখি, মনে মনে,
দূর হোক সব কষ্ট, আসুক আনন্দ জনে জনে।
আজ নতুন জীবন, নতুন স্বপ্ন গাই,
মনের আকাশে উড়ে যাই।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৬৬
আশার সূর্য
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
হিমশীতল রাত কাটিয়ে সূর্য উঠেছে আকাশে,
নিশীথের অন্ধকারকে ছিন্ন করেছে আলোর রশ্মিতে।
মনের আকাশেও হোক এমনই উজ্জ্বল সূর্যোদয়,
দূর হোক সব অন্ধকার, সব শঙ্কা, সব ভয়।
নতুন দিনের সূর্য আনে আশার বাণী,
মনের অন্ধকার কেটে যাক আজই কাছি।
সব যন্ত্রণা, সব জ্বালা ভুলে যাই,
নতুন সকালে মনকে আমি সাজাই।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৬৭
নতুন সকাল
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
নিশীথের অন্ধকারকে ছিন্ন করেছে আলোর রশ্মিতে,
হিমশীতল রাত কাটিয়ে সূর্য উঠেছে আকাশে।
মনের আকাশেও হোক এমনই উজ্জ্বল সূর্যোদয়,
দূর হোক সব অন্ধকার, সব শঙ্কা, সব ভয়।
নতুন সকালে আশা জাগে মনে,
দূর হোক সব কষ্ট, আসুক আনন্দ জনে জনে।
আজ নতুন জীবন, নতুন স্বপ্ন গাই,
মনের আকাশে উড়ে যাই।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
✓✓✓✓✓✓✓✓✓ নিতে হবে
কবিতার সংখ্যা- ৬৮
আলোর পথে
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
হিমশীতল রাত কাটিয়ে সূর্য উঠেছে আকাশে,
নিশীথের অন্ধকারকে ছিন্ন করেছে আলোর রশ্মিতে।
মনের আকাশেও হোক এমনই উজ্জ্বল সূর্যোদয়,
দূর হোক সব অন্ধকার, সব শঙ্কা, সব ভয়।
আলোর পথে চলতে চাই আজ,
দূর হোক সব কষ্ট, আসুক আনন্দ।
নতুন দিনের স্বপ্ন দেখি, মনে মনে,
দূর হোক সব কষ্ট, আসুক আনন্দ জনে জনে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৬৯
হৃদয়ের বাগানে
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
বসন্তের বাতাস বয়ে আসুক মনকে ছুঁয়ে,
নতুন পাতা ফুটুক জীবনের গাছে।
নতুন স্বপ্ন দেখি, নতুন আশা বাঁচে,
মনকে করে তাজা, নতুন করে জাগিয়ে তুলে।
নতুন পাতা ফুটুক জীবনের গাছে,
বসন্তের বাতাস বয়ে আসুক মনকে ছুঁয়ে।
নতুন স্বপ্ন দেখি, নতুন আশা বাঁচে,
মনকে করে তাজা, নতুন করে জাগিয়ে তুলে।
মনকে করে তাজা, নতুন করে জাগিয়ে তুলে,
বসন্তের বাতাস বয়ে আসুক মনকে ছুঁয়ে।
নতুন পাতা ফুটুক জীবনের গাছে,
নতুন স্বপ্ন দেখি, নতুন আশা বাঁচে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
✓✓✓✓✓✓✓✓✓ নিতে হবে
কবিতার সংখ্যা- ৭০
বসন্তের স্বপ্নের উড়ান
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
হৃদয়ের পাতায় লিখবো নতুন কবিতা,
স্বপ্নের রঙে রাঙাবো জীবনের পথিকা।
বন্ধুত্বের বন্ধনে বাঁধবো নতুন সেতু,
প্রেমের আলোয় জ্বলজ্বল করবে জীবন সুখে।
বসন্তের হাওয়া বয়ে আসে, মন হাসে,
নতুন স্বপ্নের বীজ বুনে রাখি আজ।
বন্ধুদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলি,
জীবনের পথে সবাই মিলে গাই।
প্রেমের বাণী ছড়িয়ে দিই চারিদিকে,
হৃদয়ের দরজা খুলে দিই সকলের কাছে।
জীবনের রঙিন ক্যানভাসে আঁকি নতুন ছবি,
স্বপ্নের রাজ্যে ভাসি, মনে হয় সুখী।
আজ নতুন এক সূচনা, নতুন এক যাত্রা,
জীবনের পথে চলবো সবাই মিলে সাথে সাথে।
হৃদয়ের গান গাইবো সবাই মিলে,
স্বপ্নের রঙে রাঙাবো জীবনের পথিকা।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ১ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম, দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
দুই জানুয়ারী
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
✓✓✓✓✓✓✓✓✓ নিতে হবে
কবিতার সংখ্যা- ৭১
তুষার কান্তি মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিনের শুভেচ্ছা
সাহিত্য সাগরে তুষার কান্তি
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
আজ জন্মদিনে তোমার, তুষার কান্তি মুখোপাধ্যায়,
বাংলা সাহিত্যের মুকুল, এক নতুন প্রভাত।
নদীয়া জেলার রানাঘাট হিজুলিতে, তোমার বাস,
১৪ জানুয়ারি ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে তোমার জন্ম
৮২ বছর পেরিয়ে, তুমি এখনো সুস্থ আছে ।
কবি, ছড়াকার, নাট্যকার, ভ্রমণ কাহিনীকার,
বাংলা সাহিত্যে তোমার অবদান অতুলনীয়।
বিখ্যাত ‘বাংলা ছড়া বিশ্বজোড়া’ বইটি,
রাষ্ট্রপতির প্রশংসা, তোমার গৌরবের চিহ্ন।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অবসরপ্রাপ্ত আধা আধিকারিক,
তুমি সাহিত্যের পথে, এক অক্লান্ত যোদ্ধা।
আজ তোমার সাথে, জন্মদিন উদযাপন করে,
নীহাররঞ্জন রায়, মহাশ্বেতা দেবী, তারাপদ সাঁতরা,
সৌমি শাঁখারী ও শংকর হালদার শৈলবালা প্রমুখ।
তোমার সাহিত্য জীবন, হোক আরো উজ্জ্বল,
নতুন নতুন সৃষ্টিতে, তুমি হও সর্বদা প্রস্তুত।
শুভ জন্মদিন তোমার, বাংলা সাহিত্যের মণি,
আজ তোমার জন্য, সকলেই করি বন্দনা।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৭২
শুভ জন্মদিন, সাহিত্যিক
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
নদীয়ার হিজলির আকাশে আজ উৎসবের রোদ,
তুষার কান্তি মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন, সাহিত্যের জোৎস্না ছড়ায়।
কলম ধরে লিখেছেন, নতুন নতুন কথা,
বাংলা সাহিত্যে তাঁর নাম, স্বর্ণাক্ষরে লেখা।
শব্দের জাদুতে তিনি মুগ্ধ করেছেন সকলকে,
প্রতিটি পাতায় জীবনের স্পন্দন।
সরল ভাষায় গভীর অর্থ প্রকাশ,
তাই তো তাঁর কবিতা, হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
ছড়া, নাটক, ভ্রমণ কাহিনী, একের পর এক,
সাহিত্যের আকাশে, তিনিই সেরা শেক।
রাষ্ট্রপতির প্রশংসা, গর্বের চিহ্ন,
বাংলা ছড়া বিশ্বজোড়া, তাঁরই সৃষ্টি।
অবসরপ্রাপ্ত যোদ্ধা, সাহিত্যের ময়দানে,
তুষার কান্তি মুখোপাধ্যায়, এক অনন্য নাম।
সত্য, সুন্দর, শুভের পথিক,
তিনিই আমাদের আদর্শ, সকলের প্রাণ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৭৩
প্রেমের বন্দী-সুন্দরবনে
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
হিন্দু ছেলে, মুসলিম মেয়ে, প্রেমের বন্ধন জোরে।
নদিয়ার মাটিতে ফুটে ওঠে, স্বপ্নের ফুলের সোরে।
লকডাউনের নিস্তব্ধতা, মনে জাগে নতুন জোয়ার,
প্রেমের গান গায় দুটি হৃদয়, ভুলে যায় পুরনো দাওয়ার।
নদীয়ার বাড়ি, মায়ের আশীর্বাদ না পেয়ে,
সুন্দরবনের সীমানায়, ভাগ্যের খেলা খেলে।
শিক্ষিকা মেয়ে, সুন্দরবনের সবুজে হারিয়ে,
প্রেমিকের স্মৃতি বুকে চেপে, দিন কাটাচ্ছে কাটিয়ে।
সামাজিক বেড়া, ধর্মের দেয়াল, ভাঙতে চায় না কেউ।
প্রেমের পাখি উড়তে চায়, আকাশে উঁচু উঁচু।
নদীয়ার মাটি, সুন্দরবনের জল, একই স্রোতে গড়ায়,
মানুষের মন কেন এত কঠিন, কেন এত ভাগ হয়?
সুন্দরবনের সুন্দরী, নদিয়ার ছেলের স্বপ্ন,
দুটি হৃদয়ের মিলন, কবে হবে স্বপ্ন?
সামাজিক বৈষম্যের ছায়া, কবে দূর হবে?
প্রেমের জয়গান গাইবে, পৃথিবী জুড়ে,
ঘুম ভাঙবে শত্রুতার, মিলে যাবে সবরে।
ধর্ম, বর্ণ, জাতি ভুলে, মিলে যাবে সবরে,
প্রেমের রাজত্ব হবে, সারা জগতে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৭৪
স্বপ্নের ভাঙা টুকরা
লেখক: শংকর হালদার শৈলবালা
সুখের আশায় ছিলাম যুবক,
সংসার সাজিয়েছিলাম বড় স্বপ্ন।
সহধর্মিনী, সন্তান, আশা, ভালোবাসা,
সব ছিল আমার জীবনের গান।
কিন্তু হঠাৎ করেই ভেঙে গেল সব,
অন্যের ঘরে গেছে আমার স্বর্গ।
একাকী বসে আছি এই কুঁড়েঘরে,
শীতের রাতে কাঁপছে মন।
অট্টালিকা ছেড়ে এসেছি আশ্রমে,
সব সুখ স্বপ্ন এখন হলো ভস্ম।
পরের মেয়ে হবো বৌমা, কী অদ্ভুত কথা,
আমি কি আর তাদের পরিবারের সদস্য?
নতুন বছরে কেউ খোঁজ নেয় না,
একাকীতার গান গাই আমি রাতে।
শীতের কুহু ডাকে, মনে হয় আমার,
কী করে কাটাবো এই জীবনের রাতে?
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
✓✓✓✓✓✓✓✓✓ নিতে হবে
কবিতার সংখ্যা- ৭৫
শীতের কুহু, সূর্যের আলো
লেখক: শংকর হালদার শৈলবালা
শীতের কুয়াশা ছেয়ে যায় প্রান্ত,
হিমেল হাওয়া কাঁপায় হৃদয়ের স্বর।
একাকী বসে আছি এই কুঁড়েঘরে,
শীতের রাতে কাঁপছে মন।
কিন্তু আজ সকালে আকাশে দেখি,
সূর্যের আলো ফুটেছে মেঘের ফাঁক।
হৃদয়ের অন্ধকারে আলো জ্বলে,
শীতের কুহু কাঁদে না আর কখনো।
সুদূর আকাশে উড়ে যায় পাখি,
কুহুর সুরে মিশেছে সূর্যের তাপ।
শীতের কঠোরতা ভুলে যাই,
এক নতুন সূর্যের আলোতে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৭৬
মনের জঞ্জাল
লেখক: শংকর হালদার শৈলবালা
ঊনত্রিশ বছরের সঙ্গী, তুমি আমার,
বুঝতে পারিনি তোমার মন, কেন এত অন্ধকার।
সংসারের জন্য কঠোর পরিশ্রম, দিনরাত এক করে,
তবুও তোমার কাছে আমি ছিলাম, যেন কোনো খামার।
ছেলে বড় হয়েছে, ঘরবাড়ি সাজিয়েছে,
তবুও তোমার মনে শান্তি নেই, কেন এত তাড়াতাড়ি?
তুমি কর্তা বনে গেছ, আমি হয়েছি কেবল দাস,
এই সংসারের বোঝা ছেলের পিঠে চাপা।
লেখক হতে চেয়েছিল, স্বপ্ন ছিল তার বড়,
তবুও তোমার কঠোরতায় ভেঙে পড়ল স্বপ্ন।
আজ আমি অন্যত্র, আমি একা,
এই অন্ধকার ঘরে, কেন এত জ্বালা?
প্রকৃতির মতো মানুষও পরিবর্তনশীল,
কেন তুমি বুঝতে চাও না, এই সত্য সহজ।
ছেলে মেয়ের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে দিনে দিনে,
সংসারের বোঝা কেন নিজের উপর চেপে?
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৭৭
দূরত্বের সেতু
লেখক: শংকর হালদার শৈলবালা
দুটি হৃদয় যেন একই তারে বাজে,
দূরে থাকলেও মন মনে কথা বাজে।
আকাশের চাঁদ যেমন রাতে উজ্জ্বল,
তোমার চোখের আলো আমার মনে সদা স্পন্দন।
সময়ের গতিতে দূরত্ব বাড়ে,
তবুও মনে রাখি, আমরা একই তারে বাজে।
একটি নদীর দুই ধারের মতো,
প্রবাহিত হলেও মিলিত হয় সমুদ্রে।
সামাজিক বাঁধনে আটকে থাকি যদিও,
মনের মিলন অটুট, সত্যি।
একদিন মিলিত হব, এ আশায় বাঁচি,
তোমার সঙ্গে কাটাবো জীবনের শেষ দিন।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৭৮
মা-বাবার চরণে
লেখক: শংকর হালদার শৈলবালা
বেদ, পুরাণ পড়িনি কখনো,
জানি না ভগবানের কথা।
তবে জানি এই কথা সত্যি,
মা-বাবার চরণে ভরে আছে স্বর্গ,
তারাই আমার জীবনের সূর্য।
শাস্ত্রের শ্লোক না জানলেও,
হৃদয়ের ভাষায় বুঝি এই কথা।
তারাই দেবতা, তারাই ভগবান,
তাদের চরণে করি প্রণাম।
ছোটবেলা থেকে শিখিয়েছেন,
সত্য, ন্যায়, কর্তব্য পালন।
তাদের আশীর্বাদে জীবন সুন্দর,
তাদের ছায়ায় পাই শান্তি।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৭৯
অমৃতের ঋণ
লেখক: শংকর হালদার শৈলবালা
দিনের শেষে যখন ঘুমায়,
তারা চিন্তায় থাকে সারারাত।
আমার স্বপ্ন পূরণের জন্য,
করেন তারা কঠোর পরিশ্রমের যাত্রা।
কখনো ক্লান্ত হয়ে বসে না তারা,
সারা জীবন দান করে আমার কাছে।
তাদের ত্যাগের গভীরতা জানি না,
তবুও মনে হয় তারা দেবতা স্বয়ং।
ছোটবেলা থেকে শিখিয়েছেন,
সত্যের পথে চলার উপায়।
তাদের আশীর্বাদে আমি এত বড় হয়েছি,
তাদের ছায়ায় পাই শান্তি।
যেমন এক বৃক্ষের মতো দাঁড়িয়ে আছেন তারা,
আমাকে ছায়া দিয়ে রক্ষা করে।
মায়ের দুধের মতো শুদ্ধ তাদের ভালোবাসা,
জীবন জুড়ে আমাকে সবল করে।
অনেক কষ্ট সহ্য করে তারা,
আমাকে সুখে রাখতে।
তাদের ত্যাগের ঋণ শোধ করতে পারব না,
তবুও প্রতিদিন করি প্রণাম।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৮০
শূন্যতা
লেখক: শংকর হালদার শৈলবালা
অন্ধকারে হারিয়ে গেছে আলো,
মনের কোণে শুধু কান্না।
আর নেই তোমাদের স্পর্শ,
শূন্যতা জুড়ে আমি একা।
তোমাদের ছায়া খুঁজি চারদিকে,
কিন্তু কোথাও নেই তোমাদের দেখা।
মনে হয় স্বপ্নের মতো ছিল সব,
এখন বাস্তব হয়েছে কষ্টের সব।
তোমাদের শিক্ষা মনে রাখবো সারা জীবন,
তোমাদের আশীর্বাদে হবো সফল।
তোমাদের স্মৃতি ধরে রাখবো মনে,
তোমাদের জন্য প্রার্থনা করবো চিরকাল।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৮১
স্বদেশের ডাক
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
আজীবন তোমার জন্যই আমার প্রাণ,
মাতৃভূমি, তুমি আমার স্বর্গ।
দুর্নীতি, অবিচার, লুটপাটের চক্র,
কবে ভাঙবে এই অন্ধকারের চাদর।
খেদা হচ্ছে যুবক, মেয়েরা বিদেশে যায়,
দেশের মাটি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে সবাই।
একদিন আসবে, স্বপ্ন সত্য হবে,
সোনার বাংলা ফিরে পাবে তার গৌরব।
নতুন প্রজন্ম এগিয়ে যাবে হাতে হাতে,
গড়বে সোনার বাংলা নতুন রূপে।
স্বপ্নের বাংলা গড়তে যুবকের হাত,
নতুন যুগে আনবে স্বর্ণিম কাল।
বিজ্ঞান, কলা, সাহিত্যের আলোয়,
দেশ জাগবে, নতুন সকাল।
একতা, সম্প্রীতি, ভালোবাসার বন্ধনে,
গড়বে সোনার বাংলা নতুন রূপে।
পুরাতন চিন্তাধারা ভাঙতে হবে,
নতুন পথে এগিয়ে যেতে হবে।
দুর্নীতি, অবিচার মুছে ফেলে,
সোনার বাংলা গড়বে নতুন করে।
শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা,
সবার জন্য হবে সমান অধিকার।
সবুজের ছায়ায়, নদীর তীরে,
স্বপ্নের বাংলা গড়বে নতুন করে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৮২
হৃদয়ের কথা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
জন্মধাত্রী মাকে পেয়ে শশুর বাবাকে গিয়েছো ভুলে,
কেন এই ভুলে পড়েছ, মনটা কেন এত কূলে?
শৈশবের স্মৃতি, মায়ের কোলে নিদ্রা,
সব কি ভুলে গেছিস, তোর মনে কি আর স্থান নেই?
শশুর বাবা তোর স্বামীর বাবা, সত্য,
কিন্তু মা তোর জীবনের প্রথম সাথী,
তার হাতে তুই বড় হয়েছ, তার কোলে শুয়েছ,
কেন তার প্রতি এত অন্যায় করেছ?
স্বামী, বাড়ি, সংসার, সবই তোর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ,
কিন্তু মায়ের ভালোবাসা অনন্য এক স্বর্ণ।
তার দুঃখে তুই কাঁদবি না, তার হাসিতে নাচবি না?
এই মনের কঠিনতা, কেন এত গভীর?
আজ তুই মা হয়েছ, একটা নতুন ভূমিকা,
তোর সন্তানের কাছে তুই হবি সবকিছু।
তার প্রতি তোর ভালোবাসা যেমন অসীম,
তোর মাকেও তোর ভালোবাসতে হবে সীমহীন।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৮৩
অমর কীর্তি
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
স্বপন কুমার নাথ, তুমি অমর হয়েছ আজ,
নেতাজির মর্যাদা পেয়েছ তুমি।
দেশের মাটিতে, স্বর্ণাক্ষর লেখা হল,
তোমার নামে, গৌরবের জ্যোতি ফুটল।
কলমে তোমার, স্বপ্নের জাহাজ চলে,
সাহিত্যের আকাশে, তারা হয়ে জ্বলে।
দেশের গৌরব, তুমি বাড়িয়েছ বহুগুণ,
নেতাজির মতো, তুমি হৃদয়ে স্থান পেয়েছ।
শ্রমের ফসল, স্বীকৃতি পেল আজ,
দেশবাসীর মনে, জ্বলে তোমার আলোক।
অনুপ্রেরণার স্রোত, তোমার কথা,
প্রতিটি মনে, জাগে নতুন আশা।
শুভেচ্ছা তোমাকে, স্বপন কুমার,
দেশের গৌরব, তুমি বাড়িয়েছ বারবার।
নেতাজির পথে, চলো সবাই মিলে,
দেশকে গড়ি, সোনার বাংলা।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৮৪
হৃদয়ের পাথর
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
আমি গড়িব পাষাণ দেয়াল,
আমি শুকাইব করুণাধারা।
আমি মসৃণ করিব পাথরের চেহারা,
আমি ফেলব করুণার ছায়া।
আমি গলিব হৃদয়ের বাঁধন,
আমি ছড়াব কঠোরতা।
আমি গড়িব স্বপ্নের জাল,
আমি মুছে ফেলব স্মৃতির ছবি।
আমি জ্বালাব আগুনের জ্বালা,
আমি নিভাব আশার আলো।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৮৫
একাকীত্বের ছোঁয়া
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
বৃষ্টি ঝরে, কাঁপে দেহ, মনও কাঁপে,
একাকীত্বের ছায়া পড়ে চারদিকে।
সুপ্রভাতের বার্তা কে শুনবে আজ?
নীরবতা ভাঙে না কোন পাখির ডাক।
কাঁচের জানালায় ধরে বৃষ্টির ফোঁটা,
মনে হয়, কেঁদে চলেছে কোন কন্যা।
একলা বসে আছি, চায়ের কাপ হাতে,
মনে পড়ে, তোমার স্মৃতির কথা।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৮৬
অন্ধকারের ছায়া
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
বৃষ্টি ঝরে, ঠান্ডা বাতাস বয়ে যায়,
মন খারাপ, কেন যেন জানি না কেন।
সুপ্রভাতের আলো কোথাও দেখি না,
শুধু অন্ধকার ঘিরে আছে চারদিকে।
একলা বসে আছি, নিজেকে খুঁজি,
এই পৃথিবীতে কেউ কি আছে আমার?
সুখের স্বপ্ন ভেঙে গেছে সব,
শুধু বাকি আছে এই একাকীত্ব।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৮৭
সমুদ্রতীরের স্বপ্ন ও বাস্তব
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
সৈকতের বালিতে, খোঁড়াশের ছাপ,
দুই হৃদয়ের মিলন, নিবিড় রাত।
নীল সমুদ্রের বুকে, তারকাখচিত রাত,
তরুণীর চোখে স্বপ্নের জ্যোৎস্না ফোটে।
স্বামীর বোঝা, হৃদয়ের গভীরে,
দারিদ্র্যের ঢেউয়ে ভাসে তার জীবন।
দেহের বিনিময়ে খুঁজে বেড়ায় স্বর্গ,
সৈকতে বসে, মৃদু হাওয়ায়।
তরুণের হৃদয়, উত্তাল সমুদ্রের মতো,
অশান্ত, ব্যাকুল, খুঁজে চলে এক স্বপ্ন।
দেহের বিনিময়ে মুহূর্তের শান্তি,
সৈকতের বালিতে, সূর্যাস্তের আলোয়।
মিলিত হয় দুই আত্মা, খোঁড়াশের ছাপে,
মুহূর্তের জন্য ভুলে যায় সব কষ্ট।
সমুদ্রের গভীরে নিজেদের হারিয়ে,
খুঁজে পায় এক নতুন শুরু।
কিন্তু জোয়ারের মতো আসে ভাটা,
বিচ্ছেদের ছায়া ঘিরে ফেলে।
সমুদ্রের গভীরে হারিয়ে যায় স্বপ্ন,
বাস্তবের তীরে ফিরে আসে।
সৈকতের বালিতে লেখা হয় এই কাহিনী,
সমুদ্রের গর্জন মিশে যায় কানে।
এক অসম্পূর্ণ প্রেমের গল্প,
সমুদ্রের গভীরে হারিয়ে যায়।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৮৮
সমুদ্রের গভীরে অসম্পূর্ণ প্রেম
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
সমুদ্রের গভীরে হারিয়ে যাওয়া প্রেম
সৈকতের বালিতে, খোঁড়াশের ছাপ,
দুই হৃদয়ের মিলন, নিবিড় রাত।
নীল সমুদ্রের গভীরে, প্রেমের রহস্য,
তরুণীর চোখে স্বপ্নের জ্যোৎস্না ফোটে।
স্বামীর বোঝা, হৃদয়ের গভীরে,
দারিদ্র্যের ঝড়ে ভাসে তার জীবন।
দেহের বিনিময়ে খুঁজে বেড়ায় মুক্তা,
সৈকতে বসে, মৃদু হাওয়ায়।
তরুণের হৃদয়, উত্তাল সমুদ্রের মতো,
অশান্ত, ব্যাকুল, খুঁজে চলে এক স্বপ্ন।
দেহের বিনিময়ে মুহূর্তের শান্তি,
সৈকতের বালিতে, সূর্যাস্তের আলোয়।
মিলিত হয় দুই আত্মা, খোঁড়াশের ছাপে,
মুহূর্তের জন্য ভুলে যায় সব কষ্ট।
সমুদ্রের গভীরে নিজেদের হারিয়ে,
খুঁজে পায় এক নতুন শুরু।
কিন্তু জোয়ারের মতো আসে ভাটা,
বিচ্ছেদের ছায়া ঘিরে ফেলে।
সমুদ্রের গভীরে হারিয়ে যায় মুক্তা,
বাস্তবের তীরে ফিরে আসে।
সৈকতের বালিতে লেখা হয় এই কাহিনী,
সমুদ্রের গর্জন মিশে যায় কানে।
এক অসম্পূর্ণ প্রেমের গল্প,
সমুদ্রের গভীরে হারিয়ে যায়।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৮৯
ধর্মের নামে রাজনীতি
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
ধর্মের পতাকা তুলে, রাজনীতির খেলা,
মানুষকে ভাগ করে, দ্বন্দ্বের জ্বালা।
অন্ধ বিশ্বাসের জঞ্জালে, মন হয়েছে ক্ষত,
সহিষ্ণুতার বাঁধ ভেঙে, রক্তের ঢল।
ধর্মের নামে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, শান্তি নেই কোথাও,
হিংসার আগুন জ্বলে, মন হয়েছে কাঁচা।
সত্যের পথ হারিয়ে, ভ্রমে আচ্ছন্ন চিত্ত,
মানবতার বাণী হারিয়ে, হৃদয় হয়েছে শিথিল।
ধর্মের নামে রাজনীতি, বিষাক্ত বাণের তীর,
বিচ্ছিন্ন করে সমাজকে, বাঁধে বিদ্বেষের পীর।
সহিষ্ণুতার ফুল ফুটে না, মন হয়েছে কঠিন,
প্রেমের বাণী হারিয়ে, বিদ্বেষের আগুন জ্বলে।
ধর্মের নামে লুটপাট, অর্থের লোভে মুগ্ধ,
সত্যের পথ ভুলে, মিথ্যাচারে আচ্ছন্ন।
মানবতার মূল্য ভুলে, নিজের স্বার্থে মগ্ন,
ধর্মের নামে রাজনীতি, দেশকে করে বিধ্বস্ত।
আসো না সবাই মিলে, ধর্মের সত্য জানি,
ভালোবাসার বাণীতে, মনকে পরিষ্কার করি।
সহিষ্ণুতার পথে চলি, একতা গড়ি নতুন,
ধর্মের নামে রাজনীতি, ভুলে যাই সব।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৯০
আবদ্ধ নয়-মুক্ত
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
আমি চাই না ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হতে,
স্বাধীনতা আমার, তা কেড়ে নিতে পারবে না কেউ।
মনের দরজা খুলে দাও, হৃদয়ের কাছে আসো,
বাইরের দরজা খুলতে আমি আর ক্লান্ত হতে চাই না।
আমি নিজেকে পুষি, নিজের যত্ন নিই,
আমি স্বয়ংসম্পূর্ণ, আমার নিজের জীবন।
পাশে বসে হাত পাখা নড়াতে হবে না,
আধুনিক যুগে এসে এসব কথা কেন?
আমি চাই একজন সঙ্গী, একজন বন্ধু,
যে বুঝবে আমার মনের ভাব, আমার কথা।
সময় জ্ঞান করে জিজ্ঞেস করবে, কেমন আছি?
শুধু খাবারের কথা নয়,
জানতে চাইবে আমার ভিতরের মানুষ।
আমি নিজের যত্ন নিই, কিন্তু একটু আদর চাই।
ভালোবাসার স্পর্শ, একটু মধুর কথা।
দৈহিক কামনা নয়, আত্মার মিলন চাই,
যেখানে দুটি হৃদয় মিলে এক হবে।
ছন্নছাড়া জীবনে কেউ শাসন করুক না,
বন্ধনে বাঁধা পড়তে চাই না।
নিঃসঙ্গতা ভাঙতে একজন সঙ্গী চাই,
যার সাথে হাতে হাত ধরে স্বপ্ন দেখব।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ২ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৯১
পরিবারের আলো
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
পরিবারের আশ্রয়ে পাই শান্তি,
মনের জ্বালা পায় নিষ্ক্রান্তি।
প্রিয়জনের আলো ছড়ায় চারিদিকে,
হৃদয়ের গভীরে জাগে আনন্দিকে।
নতুন উদ্যমে অগ্রসর হবো আমি,
স্বপ্নের পথে হেঁটে চলবো আমি।
অসীম আকাশে উড়ে চলে মন,
স্বপ্নের রঙে রাঙায় জীবন।
প্রেমের বাতাসে উড়ে চলে মন,
স্বপ্নের দিকে ছুটে চলে গমন।
জীবনের নৌকা ভাসে সমুদ্রে,
আশার আলো জ্বলে চিরদিনে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ৩ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৯২
তোমার চোখের নিলাম্বু
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
তোমার চোখের নিলাম্বুতে হারিয়ে যাই,
মনের গহিনে তোমার নামে ডাকি।
প্রতিটি মুহূর্ত তোমারই নামে,
তোমার প্রেমে মাতাল হয়েছি আমি।
তোমার হাসি আমার দিনের আলো,
তোমার কণ্ঠ আমার সুরের তাল।
তোমার স্পর্শ আমার প্রাণের স্পন্দন,
তোমার চোখে দেখি স্বপ্নের দেশ।
এক নদীর মতো বয়ে চলে জীবন,
তুমি আমার তীরে ফুটে ওঠা কমল।
তোমার প্রেমে বাঁধি আমি জীবনের নাও,
সাগরে ভাসি তোমারই সঙ্গে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ৩ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৯৩
বসন্তের ডাক
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
এসো হে বসন্ত, ফুটুক ফুল মাঠে,
তোমার স্পর্শে মন হবে প্রফুল্ল।
তোমার চোখে দেখি স্বপ্নের দেশ,
তোমার হাসিতে ভুলে যাই দুঃখেস।
আমি চাই তোমার সঙ্গে চিরকাল থাকতে,
এক নদীর মতো বয়ে চলতে।
তোমার প্রেমে মাতাল হয়েছি আমি,
তোমারই নামে ডাকি রাত দিনে আমি।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ৩ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৯৪
তোমার চোখের দেশে
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
তোমার চোখে দেখি স্বপ্নের দেশ,
মনের গহিনে তোমারই নেশে।
প্রতি মুহূর্তে তোমারই কথা,
তুমি আমার স্বর্গ, তুমি আমার মাথা।
হারিয়ে যাই তোমার চোখের নিলাম্বুতে,
তোমার হাসি আমার জীবনের সূর্যমুখী।
তোমার স্পর্শে পাই আমি শান্তি,
তোমার প্রেমে বাঁধি আমি জীবনের নাও।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ৩ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৯৫
প্রকৃতির আঁচল
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
সবুজ মাঠে ফুল ফুটেছে,
সুবাস ছড়িয়ে দিয়েছে।
পাখির কলরব বাজেছে,
মন ভরেছে আনন্দে।
নদীর জলে ছবি আঁকা,
মেঘের ছায়ায় নদী নাচে।
হাওয়ায় উড়ে পাতা গুলো,
প্রকৃতির সৌন্দর্যে মন মোহিত হলো।
সবুজ গাছ, নীল আকাশ,
প্রকৃতির রঙে মন আনন্দিত।
সব মিলে একটা সুন্দর ছবি,
দেখতে দেখতে মন হয়েছে প্রফুল্ল।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ৩ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৯৬
সৈকতের স্বপ্ন
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
সৈকতের বালিতে, যেখানে মিলিত হয় আকাশ ও সমুদ্র,
সমুদ্রের লালিত লহরিতে, দেহ মিশে যায় দেহের সাথে।
নীল আকাশের বুকে ভাসমান মেঘের টুকরো,
সৈকতের বালিতে লেখা প্রেমের কবিতা।
কোমল বাতাসে উড়ে চলে হাসির ফেনা,
সমুদ্রের গভীরে আঁধারে জ্বলে প্রদীপের জ্যোৎস্না।
তোমার হাত ধরে হাঁটি, সৈকতের বালিতে,
সমুদ্রের সঙ্গে গাই, প্রেমের গান।
সমুদ্রের গভীরে নিজেদের হারিয়ে ফেলি,
একাকীতার জ্যোৎস্নায় মিশে যাই।
তোমার চোখে দেখি, সারা জীবনের স্বপ্ন,
সৈকতের বালিতে লেখা আমাদের নাম।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ৩ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৯৭
সমুদ্রের সাক্ষী
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
নীল সমুদ্রের বুকে, সূর্যের আলোয় ঝিকমিক করে,
মনে হচ্ছিল তাদের প্রেমের আগুন জ্বলছে।
লেবুর গন্ধে মিশে আছে লবণের স্বাদ,
সমুদ্রের গর্জন মনে করিয়ে দেয় জীবনের সত্য।
সৈকতের বালিতে লেখা প্রেমের কবিতা,
লাহারের ছোঁয়ায় হারিয়ে যায় সকল কথা।
আকাশের নীলের সাথে মিশে যায় তাদের স্বপ্ন,
সমুদ্রের গভীরে নিজেদের খুঁজে পায়।
জীবনের মতোই সমুদ্রও উঠে নামে,
তার লাহারে ভাসে সব আশা, সব ক্ষান।
একদিন সব শেষ হবে, তবুও আজ,
এই মুহূর্তে তাদের প্রেম অমর।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ৩ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৯৮
মহিলা বগিতে হিংসার আগুন
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
চলন্ত গাড়িতে ঝাঁপিয়ে পড়া ছেলে,
দুপুরের রোদে ভাসা তার কপালে।
মহিলা বগিতে ঢুকে পড়া সেই মুহূর্তে,
উগ্র চিৎকার, ক্ষোভের বন্যার মূর্তি।
ফেলে দিতে চায় দোয়ার বাইরে,
মানবতার বাতি নিভিয়ে।
কিন্তু এক মহিলা দাঁড়িয়ে যায়,
প্রতিবাদী স্বরে, আবেগে ভাসায়।
"মানবতা কোথায় গেলো তোমাদের?"
"স্বাধীনতা মানে কি শুধু নিজের?"
"তোমাদের পরিবারে কি নেই ছেলে?"
"এই হিংসা কেন, এই ক্রোধের জ্বালা?"
ঝগড়া বেঁধে যায়, চিত্কার, হৈ-হৈ,
ট্রেনের পরিবেশ যেন নরকের চৈধ্য।
সামাজিক হিংসার ছবি ফুটে ওঠে,
মানবতার মূল্য ক্ষণে ক্ষণে ক্ষয় হয়ে।
রোদের তাপে পুড়ছে মন,
মানুষের মধ্যে বিভেদ কেন?
একজনের দুর্দশা দেখে,
কেন হয় প্রত্যেকেই এতো কঠোর?
চলন্ত ট্রেনের এই ছবি,
দেখায় সমাজের অন্ধকার দিবি।
মানুষের মধ্যে একতা কোথায় গেলো?
স্বার্থপরতা কেন এতো বেড়ে গেলো?
এই কবিতা হৃদয় ছুঁয়ে যাক,
মানুষের মনে চিন্তা জাগাক।
মানবতার বাণী গুনগুন করি,
একতা, ভাইচারা, এই পথে চলি।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ৩ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ৯৯
সকালের সুর
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
শুভ সকালের সূর্যোদয়,
মন ভরে যায় আজ নতুন রঙে।
হিমশীতে ভরা রাত জুড়ে,
প্রকৃতি জেগে উঠে নতুন করে।
পাখির কলরব, বাঁশির সুর,
প্রতিটি মুহূর্ত মনে হয় পুর।
সবুজের ছোঁয়া, ফুলের সুবাস,
প্রকৃতির অলঙ্কার, এক নিরালয় দাস।
স্বপ্ন বাবু, শুক্রবারের সকাল,
মন ভরে যাক আনন্দে কাল।
হিংসা বিদ্বেষ দূরে থাকুক,
শান্তি সুখ সবাইকে ধরুক।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ৩ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কবিতার সংখ্যা- ১০০
শীতের সকালের শুভেচ্ছা
লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
শীতের সকালে, কুয়াশার চাদরে ঢাকা,
সুর্যোদয়ের আলোয় মন হয়েছে আকাশা।
বন্ধুদের কাছে পৌঁছে যাক এই শুভেচ্ছা
,
শীতের প্রহরে, তোমাদের মনে যেন সুখের ছোঁয়া।
শীতের হাওয়া, স্পর্শ করে গায়ে,
তবু মন ভরে যায় আজ নতুন আশায়।
তোমাদের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত,
জীবনের পাতায় সোনার অক্ষরে লেখা স্মৃতিমূর্তি।
শীতের সকালে, গরম চা আর বিস্কুট,
বন্ধুদের সঙ্গে গল্পের আসর, মনে হয় সুখের মুখ।
আজ তোমাদের সকলকে শুভেচ্ছা জানাই,
শীতের এই ঋতুতে, তোমরা সবাই সুস্থ থাক।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রচনাকাল : ৩ জানুয়ারি ২০২৫
লেখার স্থান : শ্রী মা সেবাশ্রম দোলন ঘাটা, খাটুরা, মাজদিয়া, নদীয়া।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন