মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১

*স্বামীর খুনি লীলাবতী *ক্ষুদ্র উপন্যাস

* স্বামীর খুনি লীলাবতী*
              (ক্ষুদ্র উপন্যাস )
লেখক :-শংকর হালদার শৈলবালা
দত্তপুলিয়া,নদীয়া,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত।
-----------------------------------------------------------------
প্রচন্ড গরমের এক রাতের আটটার সময়ে, ঘরের মধ্যে একবার পুরুষ কন্ঠের আর্তনাদের চিৎকার করার পর বিছানা ও ঘরের মেঝেতে রক্তে রঞ্জিত হয়ে পড়ে। একজন পুরুষ ভয়ে আতঙ্কে পালানোর চেষ্টা করে-দৌড়াতে দৌড়াতে বাড়ীর সদর দরজার লোহার গেটের সামনে এসে পড়ে। দুই হাত দিয়ে গেট ধরে জোরে জোরে ধাক্কাধাক্কি করতে শুরু করে এবং পিছনের দিকে তাকাতে তাকাতে চিৎকার করে বলে :- বন্ধু, নরেশ দরজা খুলে দে, তোর বৌ মেরে ফেলবে। তোকে মদ পান করানোর পর-দশ হাজার টাকা হাতে ধরিয়ে দিয়ে ছিলাম, বিনিময়ে তোর বউ কে ধর্ষণ করবে। বন্ধু, গেট খুলে দে-আমাকে বাঁচাতে দে, আরো অনেক টাকা দেবো।
লীলাবতী মা কালির মতো বিবস্ত্র হয়ে,  হাতে খড়গ না পেয়ে-সব্জি কাঁটার বোটি হাতে নিয়ে উর্দ্ধেশ্বরে দৌড়াতে দৌড়াতে গেটের সামনে এসে, গাঁয়ের জোরে ঝারা কোপ মারে-সেই মুহূর্তে গেট খুলে যায় এবং আরেক বার কোন পুরুষ কন্ঠে আর্তনাদ চিৎকার করে উঠে।
লীলাবতী নিচের দিকে তাকিয়ে দেখে-তার স্বামীর দেহ থেকে মাথা আলাদা হয়ে পড়েছে। খন্ড দেহ লাফাতে শুরু করে। 

লীলাবতী মনের আনন্দে উলঙ্গ শরীরে-খন্ড দেহের উপর বসে, উন্মাদ পাগলের মতো দুই হাত দিয়ে স্বামীর রক্ত মাখতে শুরু করে। সেই মুহূর্তে অন্যটি পুরুষ পালানোর চেষ্টা করে।
লীলাবতী বোটি ছুড়ে মারে আর উক্ত পুরুষ টি পড়ে যায়।

লীলাবতী মনের আনন্দে আত্মহারা হয়ে রক্তের হোলি খেলা করে- এক হাতে স্বামীর কাঁটা মুন্ডু ও অন্য হাতে বলি দেওয়ার খড়গ নামক বোটি নিয়ে নাচতে নাচতে চলতে শুরু করে।
রাস্তার দুই পাশে নারী-পুরুষ,আবাল-বৃদ্ধ দাঁড়িয়ে পড়ে।
ভয়ে আতঙ্কে কোন নারীরা লীলাবতীর পথ অবরোধ করে না এবং গতি থামানোর কোন চেষ্টা করে না।
কিন্তু নানা জন নানা ধরনের বাজে বাজে মন্তব্য করতে ছেড়ে দেয়নি।
বেশ্যা,কুলটা, বাজে মেয়ে ও ঘরে স্বামী থাকতে অন্য পুরুষদের ঘরে নিয়ে আসে। 
স্বামী হয়তো, দেখে ফেলেছিল পরকীয়া প্রেমের লীলা-সেই কারণেই খুন করে চিরেদিনের মতো নিস্তব্ধ করে দিলে।
আরো কত কিছু , মহিলা গণ কথাবার্তা বলতে বলতে লীলাবতীর বাবা-মা কে গালিগালাজ দিতে শুরু করে।
বিশেষ করে পুরুষদের থেকে মহিলারা ঝগড়া, অশান্তি ও গালিগালাজ করার বিষয়ে বিশাল পারদর্শী।

লীলাবতী রাস্তার হাজার হাজার মানুষের মধ্যে দিয়ে নাচতে নাচতে সোজা থানার মধ্যে ঢুকে যায়। 
থানার নিরাপত্তা রক্ষী পুলিশ এই দৃশ্য দেখে-ভয় পেয়ে ছুটতে ছুটতে থানার ভিতর ঢুকে পড়ে।

লীলাবতী থানার অফিস ঘরে ঢুকে বড় লম্বা টেবিলের উপর কাঁটা মুন্ডু ও বোটি রেখে দেয়।
রক্তে টেবিল ভেসে গিয়ে নীচের দিকে গড়াতে থাকে।
লীলাবতী কান্না করতে করতে দুই হাত উপরের দিকে তুলে , পিছন ঘুরে জোরে আঘাত করে বিপরীত দিকের পাশের দোয়ালে। 
হাতের শাঁখা পলা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে বলে :- আমাকে গ্রেপ্তার করুন-আমি স্বামী কে খুন করে, তার রক্তে হোলি উৎসব ও কাঁটা মুন্ডু দিয়ে ফুটবল খেলা করেছি।


হঠাৎ করে ভয়ানক এমন পরিস্থিতির জন্য, থানার কোন পুলিশ প্রস্তুত ছিলেন না।
সবাই আতঙ্কিত হয়ে ভয়ে ভয়ে একদম চুপচাপ হয়ে যায়।
পুলিশরা কর্তব্য বিমুখ হয়ে ভাবতে থাকে, একে-অন্যের মুখের দিকে তাকিয়ে চাওয়া-চাওয়ি করতে থাকে।

থানার ভারপ্রাপ্ত বয়স্ক অফিসার দূর থেকে এই দৃশ্য দেখে ছুটেতে ছুটতে লীলাবতীর কাছে আসে এবং দুরত্ব বজায় রেখে হাতজোড় করে বলে :- মা, শান্ত হও; তোমার সব কথা শুনবে ও অপরাধীর অবশ্যই সাজা পাবে।

লীলাবতী দুই হাত দিয়ে বুক চেপে ধরে, টেবিলের এক কোনায় গিয়ে মেঝেতেই বসে পড়ে ।

ভারপ্রাপ্ত অফিসার, মহিলা পুলিশদের বলেন :- তাড়াতাড়ি ঐ মেয়ে টি কে ভিতরে নিয়ে গিয়ে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে স্নান করান ও উত্তেজিত ভাবে কথাবার্তা বলবেন না এবং কাপড় পরিয়ে-আমার কাছে নিয়ে আসুন।

সেই মুহূর্তে পাড়ার কয়েক জন পুরুষরা তাড়াহুড়ো করে থানার মধ্যে এসে বলে :- স্যার, দুই টো খুন হয়েছে আর একটা হাসপাতালে নিয়ে গেলে হয়তো বেঁচে যাবে। শয়তান টাকে এখনি গ্রেফতার করুন।

অফিসারের নির্দেশে পুলিশ বাহিনী ছুটে চলে-নীলাবতীর বাড়ির উদ্দেশ্যে, সঙ্গে প্রতিবেশী লোকজন।

কয়েক ঘণ্টা পরে পুলিশ কর্মকর্তা লীলাবতী কে পাশে বসিয়ে বলে :- বলে মা, কেন খুন করলে স্বামী কে ?
লীলাবতী বলে :- দুই বছর আগে-উভয় পক্ষের অভিভাবকেরা দেখাশোনা করার মাধ্যমে, আমাদের বিয়ে হয়েছিল।
বিয়ের পর জানতে পারি,স্বামীর মদ আর জুয়া খেলা ছাড়া দ্বিতীয় কোন কাজ নেই।

স্বামীর ভাল করার চেষ্টা করতে গিয়ে ,অনেক অন্যায় আবদার মেনে নিতে হয়েছে এবং সংসার বাঁচানোর জন্য ,অনেক করেছি ত্যাগ।

একে একে আমার বাবার বাড়ি থেকে দেওয়া সোনা গয়না ও টাকা-পয়সা ও বাসন-কোসন সবকিছুই মদের ও জুয়ার পিছনে চলে গিয়েছে, তবুও সংসারের হাল ছাড়িনি।
শ্বশুর-শাশুড়ি তার ছেলে কে ত্যাগ করে-চলে গিয়েছে অন্য জায়গায়।

একসময় সংসারে অনটন শুরু হয়-নিম্নতম চাহিদা দুটি লবণ ভাত জোটে না।

লজ্জা ঘৃনা ত্যাগ করে বাবার কাছে থেকে টাকা নিয়ে এসে, সেলাই মেশিনের কাজ শুরু করি।
মাঝেমধ্যেই স্বামীর মদের টাকার চাহিদা মেটাতে হতো।

একটা মেশিন থেকে আয় রোজগার করতে করতে আরও তিনটি মেশিন কিনে লোকের মাধ্যমে কিছু বাড়তি রোজগার শুরু করি।

আমার আয়-রোজগার দেখে স্বামী হিংসা হতে শুরু করে এবং বন্ধুদের কথা মতো বাড়িতে মদের ও জুয়া খেলার আসর বসিয়ে দেয় এবং আমার প্রতি নির্যাতন-অত্যাচার শুরু করে দেয়।

এক দিন রাতে জুয়া খেলায় হারতে হারতে কয়েক হাজার টাকা হেরে যায় এবং আমাকে বাজী রাখে।
কিন্তু বন্ধুদের চক্রান্ত এবার গোহারা হেরে যায়।

বন্ধুদের শর্ত অনুসারে-স্বামীর সামনেই, স্বামীর দুই বন্ধু-আমাকে জড়িয়ে ধরে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে কিন্তু তাদের ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় এবং ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করে রাখি।

আজকের রাতে আমি মেশিনে কাজ শেষ করার পর- কিছু খাওয়া দাওয়ার করার উদ্দেশ্যে শোওয়ার ঘরে যায়।
ঘরে যেতেই স্বামীর দুই বন্ধু মিলে জোর করে বিছানায় নিয়ে যায় এবং বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে যায়।
আমি ধর্ষকের কাছে-ধর্ষণের শিকার হয়ে পড়ি।
উপায় অন্ত না পেয়ে-হাতের কাছে চাকু পেয়ে যায়।
আগে পিছে কোন চিন্তা না-করেই চাকু চালিয়ে দেয়।
প্রথম ধর্ষণকারী চিৎকার করে ওঠে এবং নীচেই পড়ে যায়-তখন ক্রোধিত হয়ে পুরুষ অঙ্গ কেটে দেয় এবং দ্বিতীয় বন্ধু কে ধরার জন্য, তাড়া করে গেটের সামনে এসে জানতে পারি-আমার স্বামী, মদের নেশায় দশ হাজার টাকার বিনিময়ে- আমাকে ধর্ষণ করার অনুমতি দিয়েছে এবং নিরাপত্তার জন্য, নিজে গেটে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে অপেক্ষা করছো।

আমি স্বামীর দুই নম্বর বন্ধু কে খুন করার জন্য,বোটি দিয়ে গাঁয়ের সর্ব শক্তি দিয়ে জোরে কোপ বসিয়ে দেয়।
আর সেই মুহূর্তে স্বামী গেট খুলে মাথা ভিতরে দিয়ে পরিস্থিতি জানার চেষ্টা করে।
স্বামীর দু'নম্বর বন্ধু বসে পড়ে আর স্বামীর গলায় গিয়ে কোপ লাগে এবং ধর থেকে মাথা আলাদা হয়ে পড়ে।

থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসারের সবকিছু শোনার পর লীলাবতী কে খুনের দায়ে গ্রেপ্তার করে এবং লীলাবতীর স্বামীর দুই নম্বর বন্ধু কে গ্রেপ্তার করে মামলা দায়ের করেন।
মামলা এখন কোর্টে বিচারাধীন।
====================================
                           *গল্প শেষ *
====================================
 শব্দের সংখ্যা :- 976
লেখক শংংকর হালদার শৈলবালা
দত্তপুলিয়া রামকৃষ্ণ পল্লী, দত্তপুলিয়া নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড 741504
মোবাইল 91 8926200021

রবিবার, ১৬ মে, ২০২১

শংকর হালদার শৈলবালার জীবনী


         *শংকর হালদার শৈলবালার জীবনী*

            লেখক :- মাধুরী লতা বিশ্বাস
        রানাঘাট, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
লেখকের জন্মসূত্রে নাম :- শংকর হালদার
সাহিত্য জগতের নাম :- শংকর হালদার শৈলবালা
ছদ্মনাম :- শৈলবালা

 শংকর হালদার শৈলবালা "সাহিত্যের সন্ধিক্ষণ" ত্রৈমাসিক পত্রিকার সম্পাদক। "কবিকন্ঠ" কবিতা পর্যালোচনা গ্রন্থের পর্যালোচনাকারী ও সম্পাদক শংকর হালদার শৈলবালা।
তার সম্পাদনায় ও পর্যালোচনায় "কবিকন্ঠ" প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় ভাগ, তৃতীয় ভাগ, চতুর্থ ভাগ, পঞ্চম ভাগ ও ষষ্ঠ ভাগ প্রকাশিত হয়েছে।

জন্ম তারিখ :- 14 জানুয়ারী 1968 রবিবার,
পৌষ সংক্রান্তির দিনে।
{লেখকের রচনার শ্রেণী :- উপন্যাসিক, প্রবন্ধকার, ছোট গল্পকার,কবি, অনুবাদক, হিন্দি ভাষার লেখক এবং বাঙ্গালী লেখকদের তালিকা তৈরি কারী ।}

পিতা :- মৃত সন্তোষ হালদার
মাতা :- তুলা রানী হালদার

বর্তমান নিবাস :- রামকৃষ্ণ পল্লী, দত্তপুলিয়া, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ,ভারত। 
শিক্ষাগত যোগ্যতা :- মাধ্যমিক ।
পড়াশোনা:- বলাগড় ( হুগলি জেলা) মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক। 

পরিবার :- বিবাহের তারিখ :- 1986
সহধর্মিণীর নাম :- মুক্তা হালদার
ডাক নাম :- মুক্তি 
1988 সালে একমাত্র ছেলের জন্ম হয়।
নাম :- সুশান্ত হালদার।
1990 সালে একমাত্র মেয়ের জন্ম হয়।
নাম :- মাধুরী লতা বিশ্বাস বিবাহিত।

রাজনীতি :-2011 সালে 'তৃণমূল কংগ্রেস' রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগদান।


দুই/লেখকের জীবনে কিশোর বয়সের সময়ে  শৈলবালা নামে এক কিশোরীর সঙ্গে গভীর ভালবাসায় মগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। 
উভয়ের প্রাপ্ত বয়সের সময়ে, সামাজিক জাতপাতের কারণে বিচ্ছিন্ন হতে বাধ্য করানো হয়েছিল। সেই ভালবাসার মানুষের স্মৃতি রক্ষার্থে , শৈলবালা নাম ব্যবহার করে চলেছেন।

লেখকের সাহিত্য চর্চা শুরু :- 2008 সালে চিন্তা ভাবনা শুরু করে ছিলেন।

2010 সালে প্রথম উপন্যাস লেখা শুরু করেন। চরিত্রহীন লম্পট এবং  2020 সালে উপন্যাসের নাম পরিবর্তন করে নতুন নামকরণ করেন *চরিত্রহীন সদাশিবের প্রেম* অনলাইনে  প্রতিলিপি সাহিত্য জগত প্রকাশনা অ্যাপসের মাধ্যমে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়ে চলেছে।এক লাখ উনিশ হাজারের উর্দ্ধে পাঠক পড়েছেন। 

সক্রিয় ভাবে সাহিত্য চর্চা শুরু করেন : 14 জানুয়ারি 2018 সাল থেকে।

লেখকের পছন্দ :- গদ্য সাহিত্যের মাধ্যমে গল্প, উপন্যাস ,গদ্য কবিতা ও বিভিন্ন ধরনের প্রবন্ধ লেখেন।এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ভাষায় লিখতে ও অনুবাদ করতে পছন্দ করেন। সাহিত্য জগতে নতুন কিছু সৃষ্টি করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন।


কয়েক একটি ঐতিহাসিক লেখা আছে। এছাড়াও প্রতিটি লেখার মধ্যে সমাজের মধ্যে প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া, বিভিন্ন বাস্তব ঘটনাবলি নিয়ে লেখালেখি করেন। ঐতিহাসিক তথ্যভিত্তিক গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও ভৌতিক গল্প লিখেছেন । 


বদ অভ্যাস :- বিড়ির নেশা।

পেশা :- বইয়ের ব্যবসা করতেন। আড়াংঘাটা , নদীয়া। বাড়ী থেকে দশ কিলোমিটার দুরে, প্রতিদিন সাইকেল যাতাযাত করতেন।

শখ :- ভ্রমণ ও সাহিত্য চর্চা এবং লেখালেখি।

সংসার ত্যাগের পরিকল্পনা :-2018 সালে সংসারের সকল বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করেন।
এবং মনের আত্মতৃপ্তি লাভের জন্য সাহিত্য চর্চা শুরু করেন।

গৃহ ত্যাগ :- 2020 সালে:- ছেলের উপর সংসারের দায়-দায়িত্ব বুঝে দিয়ে, সহধর্মিণীর অনুমতি নিয়ে এক বন্ধুর আশ্রমে বসবাস শুরু করেন।
এবং বর্তমান পরিব্রাজক হিসাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। 
বিশেষ প্রয়োজনে বাড়িতে আসা-যাওয়া করেন।

লেখার তথ্য সংগ্রহ করার বিষয়ে জানা যায় :- বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে বাস্তবে ঘটে যাওয়া মানুষের জীবনের কাহিনী তুলে নিয়ে আসেন।

লেখকের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা :-
*চরিত্রহীন সদাশিবের প্রেম* উপন্যাসটি লিখার জন্য, কাহিনী জানার জন্য বাংলাদেশের শৈলকুপা গ্রামে উপস্থিত হয়ে, লেখকের কাকাদের বাড়িতে বসবাস শুরু করেন।

পুরুষের চরিত্রহীনতা উপলব্ধি করার জন্য- কয়েকবছর ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন পতিতালয়ে গিয়েছিলেন এবং বাস্তবে পতিতা নারীদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ছিলেন। 

তথ্য সংগ্রহ করার পর 2010 সালে কল্পনা মিশ্রিত করে চরিত্রহীন লম্পট নামক উপন্যাসটির পান্ডুলিপি তৈরি করে রেখে দেন। 

সংসারের বিভিন্ন ঝামেলায় আর সাহিত্য চর্চা করতে পারেনি। 

লেখকের জানিয়েছেন :- চরিত্রহীন লম্পট নামক উপন্যাস টি লিখতে গিয়ে-আমি চরিত্রহীন না হয়েও,সংসারের সদস্যদের কাছে চরিত্রহীন হয়ে গিয়ে ছিলাম কারণ বাংলাদেশের আত্মীয় স্বজনেরা জানিয়ে দিয়েছেন, আমার পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘদিন পতিতালয়ের থাকার কাহিনী।

লেখক পতিতালয়ের নারীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা ও দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে পতিতা নারীদের নিয়ে বিশাল গবেষণা করেছেন।
পতিতা নারীদের সুখ দুঃখের সমস্যার কথা গুলো নিগূঢ় ভাবে তুলে ধরেছেন "চরিত্রহীন সদাশিবের প্রেম" উপন্যাসের মধ্যে দিয়ে এবং লেখক জীবনের সাফল্য অর্জন করেছেন চরিত্রহীন সদাশিবের প্রেম উপন্যাসটির মাধ্যমে।

লেখকের প্রতিলিপির হাত ধরে চলতে শেখা ও পাঠক সংখ্যা বৃদ্ধির আনন্দে, আনন্দিত হয়ে লেখালেখি শুরু করেন।

লেখকের জীবনের ঘটনাবলী বিভিন্ন গল্প-উপন্যাসের মাধ্যমে আংশিকভাবে বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ করেছেন।

সাহিত্য জগতের অনলাইনের মাধ্যমে বৃহত্তম প্রকাশনা সংস্থা হলে :- প্রতিলিপি সাহিত্য জগত।
লেখক শংকর হালদার শৈলবালার সমগ্র রচনাবলী প্রতিলিপির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
           -: লেখকের প্রকাশিত রচনা সমগ্র :-     
     
  উপন্যাস                           পাঠক সংখ্যা  
*পরকীয়া প্রেমের জ্বালা*        86,100 
*নিঃসন্তানের জ্বালা*              54,400
* পুরুষ পতিতালয়*                  29,200 
*চরিত্রহীন সদাশিবের প্রেম*  এক লাখ উনিশ হাজার।

এছাড়াও ঐতিহাসিক উপন্যাস *আম্রপালী বার বনিতা*  ও বাইজি লক্ষহীরা এবং শনিদেব ক্রোধিত কেন ? আতঙ্কিত সমাজ ।

যাযাবর বেদে সম্প্রদায়ের জীবনের তথ্যভিত্তিক ঐতিহাসিক উপন্যাস :- ধর্ষিতার লড়াই

সামাজের বিভিন্ন কুপ্রথার বিরুদ্ধে বিবাদ এবং ধর্মের আড়ালে কত নোংরামি কাজ কর্ম হয়ে তাকে তার নিগূঢ় তথ্য  তুলে ধরেছেন:-" অন্তরালে চোরাস্রোত" নামক উপন্যাসের মাধ্যমে।

নতুন কিছু সৃষ্টিকারী ক্ষুদ্র উপন্যাস :- *ধর্ষকের প্রতিশোধ*

ছোট গল্পের সংখ্যা  55 টি ও কবিতা 60 টি এবং প্রবন্ধ 36 টি। 

বাংলা ভাষা ছাড়াও বিভিন্ন ভাষায় লেখালেখি করে থাকেন। 
পাঁচ টি ছাপা অক্ষরে বই বাহির হয়েছে এবং কয়েকটি পত্রিকায় ছাপার অক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে।

1/ "জাতের নামে বজ্জাতি " গদ্য কবিতা।
ছাপা অক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে :- নির্বাচিত 200 কবিতা শব্দের কথোপকথন। কবিতা সংকলন।
সম্পাদনায় বৈদূর্য্য পাড়িয়া ও রিতম বিশ্বাস ।

2/" খাদ্য রসিক বাঙালি" গদ্য কবিতা।
ছাপা অক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে :- মন্থান পত্রিকা
বৈশাখ 1428 বর্ষবরণ সংখ্যা।

3/ "রাতের আতঙ্ক " সত্য ঘটনা অবলম্বনে ভৌতিক গল্প। ছাপা অক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে :- শব্দযাপন পত্রিকা প্রথম বর্ষ নববর্ষ সংখ্যা 1428 

4/ "বাইশ শব্দের কবিতা "গদ্য কবিতা।
ছাপা অক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে :- 
"ভিজে দেখো কবিতায়" কবিতা সংকলন।
সম্পাদনা :- শান্তনু দাস । পথি ডটকম প্রকাশনা।
বাঙ্গলার, মধ্যে প্রদেশ।

5/ " গৃহবধূর অন্তর জ্বালা" সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক গল্প।ছাপা অক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে :- 'এক মুঠো লীনতাপ' গল্প সংকলন।
সম্পাদনা :- শান্তনু দাস । পথি ডটকম প্রকাশনা।
বাঙ্গলার, মধ্যে প্রদেশ।
(এই প্রবন্ধটির সমাপ্তির তারিখ 17 এপ্রিল 2021)
====================================

মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১

নতুন বাঙ্গালী লেখকদের তালিকা-2 ছাপানো।

  ছাপানোর জন্য দেওয়া হয়েছে। 
11 মে 21       
   বাঙ্গালী লেখকদের তালিকা-2
            বিষয় :- বিশেষ প্রবন্ধ
         শংকর হালদার শৈলবালা
         দত্তপুলিয়া, নদীয়া,       পশ্চিমবঙ্গ,ভারত।

* 20-21 শতকের লেখকদের নামের তালিকা* 
====================================
501 দেবলীনা ঘোষ (অচিন পাখি)
(জন্ম তারিখ–১/৪/২০০৪)
হুগলী,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত।
মোবাইল –৮০১৬৩৪১৬৮১

502 শুভেন্দু মাইতি
(জন্ম তারিখ– 06/08/2002)
পূর্ব মেদিনীপুর,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত।
মোবাইল –8597188485

503 সুরজ সিং
(জন্ম তারিখ = 01/11/2004)
ক্রান্তি,জলপাইগুড়ি ,পশ্চিমবঙ্গ ,ভারত
মোবাইল  = 7384342912

504 প্রদীপ কুমার দে
(জন্ম - 23.02.1994)
পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
মোবাইল :- 91 9635724772 

505 সুমন কোদালী
(জন্ম তারিখ -31/10/1998)
  হুগলী,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত।
মোবাইল-8918741293

506 সৌরভ বিশ্বাস 
(জন্ম তারিখ - 1/12/2001)
বেলঘরিয়া,কলকাতা ,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত। 
মোবাইল :-  917003919720

507 সুসময় বিশ্বাস
(জন্ম তারিখ-০৫/০৯/১৯৭৫)
চাকদহ,নদীয়া,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত।
মোবাইল :-9679360633

508 ইন্দিরা গাঙ্গুলী 
(জন্ম তারিখ 26 10 1971)
উত্তর 24 পরগণা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
মোবাইল :- 91 99038 63158

509 মুজিবর রহমান মল্লিক
(জন্ম তারিখ-১৩/৪/১৯৭৪)
পাঁচলা, হাওড়া,পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
মোবাইল:- 9836705661 

510 সমর্পিত গুহ
(জন্ম তারিখঃ ০৬/০৯/১৯৮১)
হুগলি,পশ্চিমবঙ্গ ,ভারত।
মোবাইল :- 9088 888 317 

511 শংকর হালদার শৈলবালা
(গদ্য কবিতা, উপন্যাসিক, গল্পকার, প্রাবন্ধিক , অনুবাদক, সামাজিক বিষয় গবেষক ও হিন্দি লেখক।)
(জন্ম তারিখ :- 14/01/1968)
দত্তপুলিয়া, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
মোবাইল :- 91 8926200021

512 খুশি কর 
(জন্ম তারিখ 08/01/2004)
বন্দর, হুগলি,পশ্চিমবঙ্গ, ভারত। 
মোবাইল :- 8768632775

513 মৃন্ময় মন্ডল 
(জন্ম তারিখ:- ২৩/০৩/২০০৪)
হরিশচন্দ্র পুর,মালদা ,পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
মোবাইল :- 7029812798 & 8167505106 

514 মিলন পুরকাইত।
(জন্ম তারিখ:- 17/12/2000)
বারুইপুর,দঃ ২৪ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
মোবাইল:- +916291227897 

515 রাজা দেবরায়
(জন্ম তারিখ- ১৮-০৫-১৯৮১)
আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত।
মোবাইল :- 7005712884

516 পৌলমী নস্কর 
(জন্ম:- 22/12/2001)
দক্ষিণ ২৪ পরগণা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
মোবাইল:- 9163205480

517 সৌম্য কান্তি বেরা (ছাত্র)
(জন্ম :- 29/07/2000)
তারকেশ্বর, হুগলি পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
ফোন - ৯০৯১৭২৭৩০২

518 স্বপন কুমার ধর
(জন্ম তারিখ  - ২৪.০১.১৯৬২)
পশ্চিম মেদিনীপুর,পশ্চিম বঙ্গ,ভারত।
মোবাইল - ৯৩৮২৩০৯৪১৭

519 সুদীপ্ত কুমার ঘোষ
(জন্ম তারিখ: ২২/০৫/১৯৭৫)
পাটুলি উপনগরী কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
মো: ৯৫৬৪৪০৬৮২৯  /৯১৫৩৭১৬৯৭৮

520 শুভম পাল (বৃশ্চিক)
(জন্ম তারিখ - ১৫/১১/২০০০)
বরানগর, উত্তর ২৪ পরগনা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত।
মোবাইল - 9874038704 / 8902439400

521 সুস্মিতা চক্রবর্ত্তী 
(জন্মতারিখ- 28/11/1990)
চাঁচর ( উপর পাড়া) বাঁকাদহ,বিষ্ণুপুর,বাঁকুড়া , পশ্চিমবঙ্গ, ভারত। মোবাইল :- 9749215187

522 শিব্বির শাহ 
(জন্ম :- ২৮/১১/১৯৯৪ ইং )
বাহুবল,হবিগঞ্জ,সিলেট,বাংলাদেশ।
মোবাইল :- +97430168439 ইমু, । 

523 ড. এমদাদ হোসেন, প্রাচার্য, 
{জন্মতারিখ: 07.11.1974} (দক্ষিণ 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ )আজমগড়, উত্তর প্রদেশ, ভারত। 
মোবাইল :- 9450385946

524 কুশল রায়
(জন্ম তারিখ :- ১৮/০৬/২০০২)
অমরপুর,গোমতি, ত্রিপুরা,ভারত।
মোবাইল :- ৯৪৮৫৪৭৮৬৮২

525 দেবাদৃতা দে
(জন্ম তারিখ 09/09/98)
  সংহতি নগর,ধূপগুড়ি,জলপাইগুড়ি, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত। মোঃ 9832488601

526 দিলীপ কুমার দে
(জন্ম তারিখ 27/09/62)
বৈরাতীগুড়ি, ধূপগুড়ি,জলপাইগুড়ি ,পঃ বঃ
   ফোন :- 9434500224

527 উমেশ চন্দ্র বেরা।
(জন্ম তারিখ-২রা এপ্রিল১৯৭৩)
রাজা রাজ বল্লভ স্ট্রীট নর্থ ব্লক কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।ফোন-৯৩৩১০৭৩৪৮৭

528 সুপ্রতীক মণ্ডল 
(জন্ম - ১২ই অক্টোবর, ১৯৯৭)
বেলুড়মঠ, পশ্চিমবঙ্গ,ভারত। 
দুরাভাষ - ৮৬০৯৩২৯৩৩৫

529 কৃশানু রায় চৌধূরী
(জন্ম তা‌রিখ : ৫ই কা‌র্ত্তিক ১৩৯৯ বাংলা)
দত্তপু‌লিয়া, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
মোঃ ৭৮৭২৪৮৫৬৩৪

530 পাপিয়া দে
(জন্মঃ 01/01/70)
আজাদগড়,যাদবপুর,কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ভারত। ফোনঃ- 9933611555

531 

532 :- দীপক বেরা
(জন্ম : 15/03/1959)
হরিদেবপুর,টালিগঞ্জ, কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,
মোঃ -7003223218 / 9800900322

533 দিলারা ইয়াসমিন
(জন্ম :-- ২২.০৪.২০০০)
গঙ্গারামপুর,দক্ষিন দিনাজপুর,পশ্চিমবঙ্গ, ভারত। ফোন নাম্বার-৬২৯৫৭৯৮২২৪

534 শুভঙ্কর রায়চৌধুরী
(জন্ম তারিখ : ১৭ই মার্চ,১৯৫৮ ইং)
ত্রিনয়নী,দমদম,উত্তর ২৪ পরগণা,পশ্চিমবঙ্গ,
ভারত। মোবাইল :- ৯৪৩৩১৩৩৫৭৭

535 অয়ন ভট্টাচার্য্য 
(জন্ম- ২৭.০৩.২০০১)
দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
মোবাইল :- 91 8585081616

536 অম্লান সরকার
(জন্ম তারিখ ০৬/০৮/১৯৬০ )
দার্জিলিং, পশ্চিমবঙ্গ , ভারত
মোবাইল :- 7407504889

537 আশীষ কুন্ডু
(জন্ম তারিখ -23 শে জুলাই 1963)
খড়্গপুর পঃ-মেদিনীপুর। পরে বালেশ্বর,ওড়িশা,
ভারত। মোবাইল-7437086289,  

538 মোঃ অরিদুল্লাহ্ 
(জন্মঃ ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৩)
দূর্গাপুর,মণিরামপুর, যশোর,বাংলাদেশ।
মোঃ ০১৬২৫৫২২০৬৫ / ০১৯৯১৮৪৯৪৪৪

539 গোলাপ মাহমুদ সৌরভ 
(জন্ম তারিখ  ০২ /০১/১৯৯০ )
পাড়া তলী,বাঞ্ছারামপুর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বাংলাদেশ।
বর্তমান সৌদি আরব মক্কা।
মোবাইল নম্বর  ০৯৯৫৪৬৫৫৩৭৪৬


540  অশোক কুমার পাইক
(জন্ম : ১১/০৮/১৯৬৬) 
ধোপাহাট,মন্দিরবাজার,দক্ষিণ ২৪পরগণা,
পশ্চিমবঙ্গ,ভারত।মোবাইল : ৯৭৩২৯৫৬৩৪৯          
                 
541  কনিকা রায়
(জন্ম তারিখ- 27.3.1989)
তপন , দক্ষিণ দিনাজপুর, পশ্চিমবঙ্গ,ভারত।
মোবাইল - 8637823928

542  ভিক্টর বুলবুল
(জন্ম: ১০-১১-১৯৮৬)
দেশবন্ধু নগর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
মোবাইল: ৯৪৩৩০৮৮১৩০

543  গোবিন্দ মোদক। 
(জন্মতারিখ : 05/01/1967)
রাধানগর, ঘূর্ণি,কৃষ্ণনগর,নদিয়া,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত। 
ফোন: 8653395807

544  তাপস কুমার বর
(জন্ম তারিখ 24/03/1994 )  
সাগর কৃষ্ণনগর,দঃ 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
ফোন 917076625352          

545  বিমান দত্ত 
(জন্ম তারিখ- 24 শে ফেব্রুয়ারি,1945 )
জেনেক্স ভ্যালি,ডায়মন্ডহারবার রোড,কলকাতা। 
পঃবঙ্গ, ভারত। মোবাইল- 9674439945 

546 কবি মোঃ মোসলেম হাওলাদার। 
(জন্ম তারিখ- ০৬-০৮-১৯৬২ ইং)
সিড্যা,ডামুড্যা,শরীয়তপুর, বাংলাদেশ। বর্তমান ইতালি বসবাস।মোবাইল০০ ৩৯-৩৫১২০২৪৫০২

547 বিনয় কৃষ্ণ গোস্বামী 
(জন্ম তারিখ: 30-11-1959)
সাহেবপাড়া, সোনারপুর, কলিকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত। মোবাইল: 9874757468

548  এম শাহজাহান সেখ
(জন্ম তাং:- ১৩/১২/১৯৯৩)
হাজীপুর,বেগুনীয়া, মল্লারপুর,বীরভূম,পচিম বঙ্গ,ভারত। ফোন:- 7557053830

549 ধীমান পাল
(জন্ম তারিখ - ১৯ অগ্রহায়ন১৩৬৮ বাং)
গাঁতী পাল পাড়া,গঙ্গানগর,নারায়নপুর,উত্তর 24 পরগণ, পশ্চিমবঙ্গ ভারত। ফোন -7044704348


450  সমাধান দেবনাথ
(জন্ম তারিখ- 03/07/1981)
বাইশ মাইল,দত্তপুলিয়া, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
Mob- 8641900193

551 নাম-সৈকত সরদার
(জন্ম তারিখ -১১.১০.১৯৯৩)
কুঠিবাড়ি,বনগাঁ,উঃ 24 পরগনা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত।
মোবাইল-9647402777

552 দেবাশীষ দেবনাথ
(জন্ম ০৩/০৩/১৯৬১)
দেবীনগর,কল্যাণগড়,উঃ-২৪পরগণা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত। মোবাইল -৯৯৩২৩১৩৩৮৪


====================================

যে সব লেখকগণ, লেখক তালিকায় নাম এখনো নথিভুক্ত করেনি। অতি সত্বর আপনার মূল্যবান নাম ঠিকানা মোবাইল নাম্বার ও জন্ম তারিখ লিখে জানান। হোয়াইট অ্যাপস নম্বর 91 8926200021 অথবা বাঙ্গালী লেখকদের তালিকা নামক গ্রুপ লিঙ্ক ব্যবহার করে পাঠিয়ে দেবেন।
গ্রুপ লিঙ্ক
https://chat.whatsapp.com/IJLG6VMCFCE7zP75XSKSQZ


বৃহস্পতিবার, ৬ মে, ২০২১

প্রবন্ধ সংকলন

নারী দিবসের ইতিহাস
              বিষয় :- প্রবন্ধ
শব্দের সংখ্যা :- 511

লেখক :- শংকর হালদার শৈলবালা
------------------------------------------------------------------
  নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা যাপন করতে ,বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন অঞ্চলে-নারীদের কাজের প্রশংসা এবং ভালোবাসা প্রকাশ করা হয়।

৮ মার্চ প্রতি বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে- মহিলাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সাফল্য অর্জনের-উন্নয়ন মূখি-স্বনির্ভরতা অর্জনের শপথের দিনের মধ্যে দিয়ে পালিত হয়ে থাকে।
    
নারী শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাসের মধ্যে দিয়ে আজকের দিনটি। 

প্রতিবাদী নারীগণ ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে কাজের বিনিময়ে
মজুরির বৈষম্য,কর্মের সময় ও ঘণ্টা নির্দিষ্ট করা।
কাজের সময়ে অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধে, প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের রাস্তায় নেমেছিলেন-সুতা কারখানার নারী শ্রমিকেরা। 
সেই মিছিলে চলেছিল সরকার পক্ষের থেকে লেঠেল বাহিনীর দমন-পীড়ন অমানবিক নির্যাতন।

১৯০৮ সালে সোশ্যালিস্ট পার্টি অফ আমেরিকা নিউ ইয়র্কে-বস্ত্র শিল্পের নারী শ্রমিকেরা কাজের সম্মান ও নারী কর্মীগণের কর্মক্ষেত্রের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর আন্দোলনের মাধ্যমে ধর্মঘট শুরু করেন। 
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজ করার কারণে,
নারীদের মৃত্যুহার দিন দিন বেড়ে যাচ্ছিল।  
নারী পারিশ্রমিকের বেতন ছিল-পুরুষ শ্রমিকদের অর্ধেক এবং রাষ্ট্রীয় ভাবে ভোট দেওয়ার অধিকারও ছিল না।
নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী কাজ এবং সমমানের 
বেতনের দাবিতে বনধ চলতে থাকে।

১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে নিউইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত হয়।
নারী সমাবেশে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন হয়ে ছিল।
ক্লারা ছিলেন জার্মান রাজনীতিবিদ এবং
জার্মানির সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নারী কার্যালয়ের নেত্রী ছিলেন।

১৯০৯ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম আমেরিকায় নারী দিবস উদযাপন করা হয়েছিল।

১৯১০ খ্রিস্টাব্দে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয়-দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। ১৭টি দেশ থেকে ১০০ জন নারী প্রতিনিধি এই
সম্মেলনে যোগদান করে ছিলেন।

১৯১০ সালে কোপেনহেগেনের উদ্যোগের পর,
১৯ মার্চ অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, জার্মানি এবং সুইৎজারল্যান্ডে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়ে ছিল। 

১৯১০ সালে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে কর্মজীবী নারীদের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
১৭টি দেশের শ্রমিক সংগঠন, সমাজতান্ত্রিক দলগুলোর প্রতিনিধি ছাড়াও ফিনল্যান্ডের পার্লামেন্টে নির্বাচিত প্রথম তিন নারী সদস্য সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

নারীর কাজের অধিকার, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এবং কাজের বৈষম্যের অবসানের জন্য প্রতিবাদ করেন লক্ষ লক্ষ নারীগণ । 

রাশিয়ার মহিলা শ্রমিকরা ২৮ শে ফেব্রুয়ারি নারী দিবস উদযাপনের সময়ে রুটি ও শান্তি'র দাবিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করার মধ্যে দিয়ে,প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বিরোধিতা ও প্রতিবাদী আন্দোলন সংগঠিত হয়।
 
৮ মার্চ ইউরোপের মহিলারা শান্তিরক্ষা কমিটির কর্মীদের সমর্থনে এক সমাবেশের আয়োজন করেন।
এবং নারী শ্রমিকদের শান্তি বিষয়ক,কার্যক্রমকে সমর্থনের মাধ্যমে-লক্ষ লক্ষ নারীগণ মিছিলে অংশ গ্রহণ করেন। 

১৯১১ সালের ১৯ মার্চ ক্লারা জেতকিন নামের 
এক নারী নেত্রী সম্মেলনে আন্তর্জাতিকভাবে নারী দিবস পালনের প্রস্তাব করেন।
  নারী অধিকারের ওপর জোর দেওয়ার জন্য, প্রত্যেক দেশে রাষ্ট্রীয় নায়কদের অনুরোধ করেন- প্রতি বছর অন্তত একটি দিন নারী দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব রাখেন। 
সম্মেলনে হাজার হাজার নারী কর্মীদের উপস্থিতিতে
ও প্রায় ১০০ নারী প্রতিনিধি সর্বসম্মতভাবে নারী দিবসের প্রস্তাব মেনে নেওয়া হয়ে ছিল।
ক্লারা জেতকিনের নেতৃত্বে ১৯১১ সালের ১৯ মার্চ, প্রথম নারী দিবস পালিত হয়। 
এ দিনটিকে বেছে নেওয়ারও পেছনে কারণ ছিল। জার্মানকেন্দ্রিক প্রুসিয়ান সম্রাট নারী কর্মীদের, অনেক অঙ্গীকার দিয়ে ছিলেন কিন্তু অঙ্গীকার পূরণে ব্যর্থ হওয়ার কারণে বিপ্লবের মুখে পড়ে ছিলেন। 
নারীদের ভোটাধিকার দেওয়াও ছিল,সেই অঙ্গীকারগুলোর মধ্যে অন্যতম।

১৯১৩-১৯১৪ সালে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে,
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রতিবাদ জানানোর -একটি প্রক্রিয়া হয়ে ওঠে।

আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালের ৮ মার্চ দিনটিকে, প্রথম আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসাবে ঘোষণা করেন। 
১৯৭৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সদস্যরা,প্রতি টি রাষ্ট্রদের নারী অধিকার ও বিশ্ব শান্তি রক্ষার জন্য জাতিসংঘ দিবস হিসাবে ৮ মার্চকে ঘোষণা করার আহ্বান জানায়।

============================

কবিতা সংকলন

অতৃপ্ত ভালোবাসা
গদ্য কবিতা
       লেখক :- শংকর হালদার শৈলবালা

সদানন্দ ভাবে বাল্যকালে বিবাহিত মহিলার সঙ্গ লাভ।
যৌবনের সন্ধিক্ষণে বৌদির প্রেমের আগুনে লিপ্ত।

বাল্যকাল থেকে অন্তরে ভালবেসে ছিলাম যারে, পূর্ণ যৌবনে ভালোবাসা প্রত্যাখ্যান-বিয়ে করে অন্য পুরুষ।

হঠাৎ একদিন অপ্রত্যাশিতভাবে অন্তরঙ্গ বন্ধুর বোন সাবিনা প্রকাশ্যে রাস্তার মাঝে করে প্রেম নিবেদন।

আভিজাত্য পরিবারের শিক্ষিত, সুন্দরী,হটকারী বুদ্ধি যুক্ত-পুলিশ অফিসারের এক মাত্র আদরের দুলালী।

সদানন্দ সাবিনার ভালোবাসাকে প্রত্যাখ্যান করায়, সাবিনা আত্মহত্যা করতে গিয়ে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায়।

সাবিনা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে লড়াই করে, সদানন্দের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাবে রাজি করায়।

সদানন্দ কে আহ্বান করে বদ্ধ ঘরে একান্তে সাবিনা বলে তোমার জীবনের ইতিহাস সবই জানা, 
ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি তুমি দাদার বন্ধু।
একটু একটু করে হৃদয়ের মাঝে সঞ্চয় করে রেখেছি , 
তোমার জন্য দেহ-মন-প্রাণ-ভালোবাসা।

তুমি সমাজের চোখে হয়ে আছো অপরাধী কিন্তু তোমাকে সবাই ব্যবহারের মাধ্যমে-দোষী সাব্যস্ত করে।

সদানন্দ বলে আমি তোমার প্রেমের মর্যাদা দিতে পারব না কারণ হিন্দু-মুসলমানে বাঁধবে দ্বন্দ্ব আর
ধর্ম ছেড়ে নারীর কারনে ধর্মান্তরিত হতে চাই না।

সাবিনা বলে কি আছে তোমার মধ্যে!অশিক্ষিত অষ্টম শ্রেণি পাস বেকার চরিত্রহীন পুরুষ নামে খ্যাত।

সদানন্দ বলে জানো তবে ছাড়ছো না! কেন সঙ্গ ?

সাবিনা বলে লড়াই করে আদায় করে নিতে হবে, জড়িয়ে ধরে আলিঙ্গনের মাধ্যমে চুম্বন করতে থাকে।

সাবিনা প্রতারণার মাধ্যমে জোর করে মিলনে লিপ্ত হয়ে পড়ে এবং বিবাহের প্রস্তুতি নিতে বলে।

সাবিনার কারণে সদানন্দ পরিবার থেকে হয় ত্যাজ্যপুত্র।
====================================
জাতের নামে বজ্জাতি
গদ্য কবিতা
        লেখক :- শংকর হালদার শৈলবালা

ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রদেশে-জাত পাতের লড়াই।
উত্তর প্রদেশের মথুরা জেলার দক্ষিণা গ্রামের ঘটনা।
হরিজন অরুণ,ভালবেসেছে উচ্চবর্ণের বিশাখা কে।
জল মানুষের জীবন কিন্তু গ্রামের মধ্যে দেখা যায় ।
জলের ব্যবস্থা আছে,উচ্চবর্ণের আলাদা কুয়া -
নিম্নবর্ণদের আলাদা কুয়া ব্যবহার করতে হয়।
ভুলবশত উচ্চবর্ণের কুয়া কে, ছুঁয়ে দেয় নিম্নবর্ণ।
কুয়ার ব্যবহার হবে বন্ধ ,সাজা পাবে নিম্নবর্ণের।
বিশাখা-অরুণ অন্তরঙ্গভাবে মগ্ন ছিল,পড়ে যায় ধরা।
উচ্চবর্ণেরা গৃহ বন্দি করে-চালিয়ে যায় নির্যাতন।
গোপন সালিশে ডাকা হয়, বিশাখার বাবা কে।
বিশাখার বাবা বলে,মেয়ে নিম্ন বর্ণে মেলামেশা করে- 
উচ্চ বর্ণের জাত-কুল-মান সব নষ্ট করে দিয়েছে।
ফিরিয়ে নিতে চাই না-নিম্ন বর্ণের ঘরে দিতে পারিনা।
দীর্ঘ সময় আলোচনার পরে,বিচারক মন্ডলী রায়-
দিতে হবে মৃত্যুদণ্ড,জঙ্গলের মাঝে পরিত্যক্ত কুয়া'য়।
দুই জনের হাত-পা বেঁধে ফেলে দিতে হবে।
নিম্নবর্ণের মানুষেরা আতঙ্কিত মৃত্যুর ভয়ে-কোনদিন উচ্চবর্ণের মেয়ের সঙ্গে,মেলামেশা করতে আসবে না।

অন্ধকারের গভীর রাতে নিয়ে চলে গভীর জঙ্গলে।
কুয়ার মধ্যে ফেলে দিয়ে, জঙ্গলের কাঠ পাতা সঙ্গে কেরোসিন তেল দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় দুজনের দেহ। 


                        ============================
============================
প্রতিশ্রুতি লংঘন * গদ্য কবিতা
লেখক :- শংকর হালদার শৈলবালা
দত্তপুলিয়া, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
====================================
ভোট আসে ভোট চলে যায়।
জনগণের কি লাভ হয় ?
নির্বাচন উপলক্ষে অংশ নেওয়া,
সমস্ত প্রার্থী ঘরে ঘরে এসেছিলেন।
এবং তারা সকলেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন,
যে এবার তারা জিতলে এটি জনগণের বিজয় হবে। তারপরে একই ঘটনা ঘটে, যা সর্বদা ঘটে চলেছে।
এ সময় তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে,
আমরা যদি নির্বাচনে তাকে ভোট দিয়ে থাকি-
তবে তিনি, আমাদের স্বার্থে কাজ করবেন। 

তবে পরে তিনি তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছিলেন। তাদের কাছ থেকে, আমাদের যে আশা ছিল,
তা ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল।
পাঁচ বছর তিনি আমাদের বাড়িতে যাননি।
দেশের গুপ্তধন সন্ধান এবং নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার পরে-তারা মন্ত্রীদের সাথে গোপন বৈঠক করার সুযোগ পাননি।

আমাদের নাগরিকদের কাছ থেকে,
কোন প্রতিশ্রুতি মনে আছে?
আমরা যথারীতি আমাদের,
জীবনের গাড়ি টানতে থাকি।

তখন করোনা ভাইরাসের মহামারীটি,
আমাদের সকলকে আঘাত করেছিল-ঘরে বন্দি। 
আমাদের দরিদ্র মানুষের বেঁচে থাকার,
অর্থনৈতিক পরিকাঠামো ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। 

এমনকি যদি ,রাজনৈতিক নেতারা আসে-
তবে, আমাদের মুখে মুখোশ রাখার জন্য।
একে অপরের থেকে-আমাদের দূরত্ব বজায় রাখতে, এবং করোনার বিস্তার বন্ধ করতে-
নির্দেশ দিতে এসেছিল।
আমরা তাদের নির্দেশাবলী অনুসরণ করি নি।
  আমরা যদি কর্মীরা, বাড়িতে তালাবদ্ধ হয়ে থাকি-তবে কীভাবে! আমরা জীবিকা নির্বাহ করব? 

এখন তারা প্রতিশ্রুতি দেয়-যে, আমরা যদি তাদের নির্দেশাবলী অনুসরণ করি-তবে তারা-
আমাদের জীবনের গ্যারান্টি দেবে।
আমরা বুঝতে পারি নি-যে,আমরা যখন ঘরের বাইরে যাবো না-তখন আমরা কিছু উপার্জন করতে পারবে না কিন্তু পরিবারের সদস্যদের মুখে 
খাবার তুলে দেবে কি ভাবে ? 

আপনি যখন খেতে কিছু পাবেন না !
তাহলে কীভাবে আমরা বাঁচতে পারি?
তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করার জন্য-
দেশের শাসকগোষ্ঠীর নেতারা,
এক মুঠো খাবারের ব্যবস্থা করেছেন ?

আমরা এখন বাড়ীর উঠোনে উপর দাঁড়িয়ে আছি। বাড়ির বাইরে গেলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত 
হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
আমরা যদি বাড়িতে বসে থাকি,ভাত-রুটির 
তেল লবণ কাঁচা বাজার আসবে কি করে ?
আমাদের খিদের জ্বালায় রক্ত মাংস খেয়ে ফেলবে। আমাদের অনাহারে অর্ধাহারে থেকে থেকে,
পেটের মধ্যে আগুন লেগেছে। 
আমাদের বোধগম্যতা ছিল-তাদের কথায় বিশ্বাস করে, যারা এমন নেতাদের ভোট দিয়েছিলেন।
আমাদের বাচ্চাদের নিয়ে-দেশের শাসকেরা
মারাত্মক করোনা ভাইরাস নিয়ে উদ্বিগ্ন নন। 
এমনকি তারা শিশুদের নিয়ে কোন কথা বলছেন না।
করোনা ভাইরাসের মধ্যেই , নিজেদের আখের গোছানোর জন্য-চলছে ভোটের মিটিং মিছিল।

লকডাউনে দরিদ্র মানুষেরা খাবে কী ?
আমাদের দেশের সরকার ভাবে-
দরিদ্র শ্রমিকরা নিজেরাই ভোজন করবে।
যদি কোনও লকডাউন হয়, তারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অনাহারে মারা যাবে। 
তাতে দেশের কি ক্ষতি হবে বরংচ বেঁচে থাকলে,
দেশের বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।

  জনগণকে যখন অনাহার করতে হবে, তখন করোনা ভাইরাসে মারা যাওয়ার ক্ষতি কী?
===================================

কবিতা মালা, ২০২৫ (কবিতা সমগ্র)

 কবিতা মালা, ২০২৫                      লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা  সূচিপত্র   (১) নতুন বছর ২৫  (২) নতুন বছরের শুভেচ্ছা (৩) কালের গহীনে (৪) ব...