*শংকর হালদার শৈলবালার জীবনী*
লেখক :- মাধুরী লতা বিশ্বাস
রানাঘাট, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
লেখকের জন্মসূত্রে নাম :- শংকর হালদার
সাহিত্য জগতের নাম :- শংকর হালদার শৈলবালা
ছদ্মনাম :- শৈলবালা
শংকর হালদার শৈলবালা "সাহিত্যের সন্ধিক্ষণ" ত্রৈমাসিক পত্রিকার সম্পাদক। "কবিকন্ঠ" কবিতা পর্যালোচনা গ্রন্থের পর্যালোচনাকারী ও সম্পাদক শংকর হালদার শৈলবালা।
তার সম্পাদনায় ও পর্যালোচনায় "কবিকন্ঠ" প্রথম ভাগ, দ্বিতীয় ভাগ, তৃতীয় ভাগ, চতুর্থ ভাগ, পঞ্চম ভাগ ও ষষ্ঠ ভাগ প্রকাশিত হয়েছে।
জন্ম তারিখ :- 14 জানুয়ারী 1968 রবিবার,
পৌষ সংক্রান্তির দিনে।
{লেখকের রচনার শ্রেণী :- উপন্যাসিক, প্রবন্ধকার, ছোট গল্পকার,কবি, অনুবাদক, হিন্দি ভাষার লেখক এবং বাঙ্গালী লেখকদের তালিকা তৈরি কারী ।}
পিতা :- মৃত সন্তোষ হালদার
মাতা :- তুলা রানী হালদার
বর্তমান নিবাস :- রামকৃষ্ণ পল্লী, দত্তপুলিয়া, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ,ভারত।
শিক্ষাগত যোগ্যতা :- মাধ্যমিক ।
পড়াশোনা:- বলাগড় ( হুগলি জেলা) মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক।
পরিবার :- বিবাহের তারিখ :- 1986
সহধর্মিণীর নাম :- মুক্তা হালদার
ডাক নাম :- মুক্তি
1988 সালে একমাত্র ছেলের জন্ম হয়।
নাম :- সুশান্ত হালদার।
1990 সালে একমাত্র মেয়ের জন্ম হয়।
নাম :- মাধুরী লতা বিশ্বাস বিবাহিত।
রাজনীতি :-2011 সালে 'তৃণমূল কংগ্রেস' রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগদান।
দুই/লেখকের জীবনে কিশোর বয়সের সময়ে শৈলবালা নামে এক কিশোরীর সঙ্গে গভীর ভালবাসায় মগ্ন হয়ে পড়েছিলেন।
উভয়ের প্রাপ্ত বয়সের সময়ে, সামাজিক জাতপাতের কারণে বিচ্ছিন্ন হতে বাধ্য করানো হয়েছিল। সেই ভালবাসার মানুষের স্মৃতি রক্ষার্থে , শৈলবালা নাম ব্যবহার করে চলেছেন।
লেখকের সাহিত্য চর্চা শুরু :- 2008 সালে চিন্তা ভাবনা শুরু করে ছিলেন।
2010 সালে প্রথম উপন্যাস লেখা শুরু করেন। চরিত্রহীন লম্পট এবং 2020 সালে উপন্যাসের নাম পরিবর্তন করে নতুন নামকরণ করেন *চরিত্রহীন সদাশিবের প্রেম* অনলাইনে প্রতিলিপি সাহিত্য জগত প্রকাশনা অ্যাপসের মাধ্যমে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়ে চলেছে।এক লাখ উনিশ হাজারের উর্দ্ধে পাঠক পড়েছেন।
সক্রিয় ভাবে সাহিত্য চর্চা শুরু করেন : 14 জানুয়ারি 2018 সাল থেকে।
লেখকের পছন্দ :- গদ্য সাহিত্যের মাধ্যমে গল্প, উপন্যাস ,গদ্য কবিতা ও বিভিন্ন ধরনের প্রবন্ধ লেখেন।এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ভাষায় লিখতে ও অনুবাদ করতে পছন্দ করেন। সাহিত্য জগতে নতুন কিছু সৃষ্টি করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন।
কয়েক একটি ঐতিহাসিক লেখা আছে। এছাড়াও প্রতিটি লেখার মধ্যে সমাজের মধ্যে প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া, বিভিন্ন বাস্তব ঘটনাবলি নিয়ে লেখালেখি করেন। ঐতিহাসিক তথ্যভিত্তিক গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও ভৌতিক গল্প লিখেছেন ।
বদ অভ্যাস :- বিড়ির নেশা।
পেশা :- বইয়ের ব্যবসা করতেন। আড়াংঘাটা , নদীয়া। বাড়ী থেকে দশ কিলোমিটার দুরে, প্রতিদিন সাইকেল যাতাযাত করতেন।
শখ :- ভ্রমণ ও সাহিত্য চর্চা এবং লেখালেখি।
সংসার ত্যাগের পরিকল্পনা :-2018 সালে সংসারের সকল বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করেন।
এবং মনের আত্মতৃপ্তি লাভের জন্য সাহিত্য চর্চা শুরু করেন।
গৃহ ত্যাগ :- 2020 সালে:- ছেলের উপর সংসারের দায়-দায়িত্ব বুঝে দিয়ে, সহধর্মিণীর অনুমতি নিয়ে এক বন্ধুর আশ্রমে বসবাস শুরু করেন।
এবং বর্তমান পরিব্রাজক হিসাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
বিশেষ প্রয়োজনে বাড়িতে আসা-যাওয়া করেন।
লেখার তথ্য সংগ্রহ করার বিষয়ে জানা যায় :- বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে বাস্তবে ঘটে যাওয়া মানুষের জীবনের কাহিনী তুলে নিয়ে আসেন।
লেখকের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা :-
*চরিত্রহীন সদাশিবের প্রেম* উপন্যাসটি লিখার জন্য, কাহিনী জানার জন্য বাংলাদেশের শৈলকুপা গ্রামে উপস্থিত হয়ে, লেখকের কাকাদের বাড়িতে বসবাস শুরু করেন।
পুরুষের চরিত্রহীনতা উপলব্ধি করার জন্য- কয়েকবছর ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন পতিতালয়ে গিয়েছিলেন এবং বাস্তবে পতিতা নারীদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ছিলেন।
তথ্য সংগ্রহ করার পর 2010 সালে কল্পনা মিশ্রিত করে চরিত্রহীন লম্পট নামক উপন্যাসটির পান্ডুলিপি তৈরি করে রেখে দেন।
সংসারের বিভিন্ন ঝামেলায় আর সাহিত্য চর্চা করতে পারেনি।
লেখকের জানিয়েছেন :- চরিত্রহীন লম্পট নামক উপন্যাস টি লিখতে গিয়ে-আমি চরিত্রহীন না হয়েও,সংসারের সদস্যদের কাছে চরিত্রহীন হয়ে গিয়ে ছিলাম কারণ বাংলাদেশের আত্মীয় স্বজনেরা জানিয়ে দিয়েছেন, আমার পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘদিন পতিতালয়ের থাকার কাহিনী।
লেখক পতিতালয়ের নারীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা ও দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে পতিতা নারীদের নিয়ে বিশাল গবেষণা করেছেন।
পতিতা নারীদের সুখ দুঃখের সমস্যার কথা গুলো নিগূঢ় ভাবে তুলে ধরেছেন "চরিত্রহীন সদাশিবের প্রেম" উপন্যাসের মধ্যে দিয়ে এবং লেখক জীবনের সাফল্য অর্জন করেছেন চরিত্রহীন সদাশিবের প্রেম উপন্যাসটির মাধ্যমে।
লেখকের প্রতিলিপির হাত ধরে চলতে শেখা ও পাঠক সংখ্যা বৃদ্ধির আনন্দে, আনন্দিত হয়ে লেখালেখি শুরু করেন।
লেখকের জীবনের ঘটনাবলী বিভিন্ন গল্প-উপন্যাসের মাধ্যমে আংশিকভাবে বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ করেছেন।
সাহিত্য জগতের অনলাইনের মাধ্যমে বৃহত্তম প্রকাশনা সংস্থা হলে :- প্রতিলিপি সাহিত্য জগত।
লেখক শংকর হালদার শৈলবালার সমগ্র রচনাবলী প্রতিলিপির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
-: লেখকের প্রকাশিত রচনা সমগ্র :-
উপন্যাস পাঠক সংখ্যা
*পরকীয়া প্রেমের জ্বালা* 86,100
*নিঃসন্তানের জ্বালা* 54,400
* পুরুষ পতিতালয়* 29,200
*চরিত্রহীন সদাশিবের প্রেম* এক লাখ উনিশ হাজার।
এছাড়াও ঐতিহাসিক উপন্যাস *আম্রপালী বার বনিতা* ও বাইজি লক্ষহীরা এবং শনিদেব ক্রোধিত কেন ? আতঙ্কিত সমাজ ।
যাযাবর বেদে সম্প্রদায়ের জীবনের তথ্যভিত্তিক ঐতিহাসিক উপন্যাস :- ধর্ষিতার লড়াই
সামাজের বিভিন্ন কুপ্রথার বিরুদ্ধে বিবাদ এবং ধর্মের আড়ালে কত নোংরামি কাজ কর্ম হয়ে তাকে তার নিগূঢ় তথ্য তুলে ধরেছেন:-" অন্তরালে চোরাস্রোত" নামক উপন্যাসের মাধ্যমে।
নতুন কিছু সৃষ্টিকারী ক্ষুদ্র উপন্যাস :- *ধর্ষকের প্রতিশোধ*
ছোট গল্পের সংখ্যা 55 টি ও কবিতা 60 টি এবং প্রবন্ধ 36 টি।
বাংলা ভাষা ছাড়াও বিভিন্ন ভাষায় লেখালেখি করে থাকেন।
পাঁচ টি ছাপা অক্ষরে বই বাহির হয়েছে এবং কয়েকটি পত্রিকায় ছাপার অক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে।
1/ "জাতের নামে বজ্জাতি " গদ্য কবিতা।
ছাপা অক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে :- নির্বাচিত 200 কবিতা শব্দের কথোপকথন। কবিতা সংকলন।
সম্পাদনায় বৈদূর্য্য পাড়িয়া ও রিতম বিশ্বাস ।
2/" খাদ্য রসিক বাঙালি" গদ্য কবিতা।
ছাপা অক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে :- মন্থান পত্রিকা
বৈশাখ 1428 বর্ষবরণ সংখ্যা।
3/ "রাতের আতঙ্ক " সত্য ঘটনা অবলম্বনে ভৌতিক গল্প। ছাপা অক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে :- শব্দযাপন পত্রিকা প্রথম বর্ষ নববর্ষ সংখ্যা 1428
4/ "বাইশ শব্দের কবিতা "গদ্য কবিতা।
ছাপা অক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে :-
"ভিজে দেখো কবিতায়" কবিতা সংকলন।
সম্পাদনা :- শান্তনু দাস । পথি ডটকম প্রকাশনা।
বাঙ্গলার, মধ্যে প্রদেশ।
5/ " গৃহবধূর অন্তর জ্বালা" সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক গল্প।ছাপা অক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে :- 'এক মুঠো লীনতাপ' গল্প সংকলন।
সম্পাদনা :- শান্তনু দাস । পথি ডটকম প্রকাশনা।
বাঙ্গলার, মধ্যে প্রদেশ।
(এই প্রবন্ধটির সমাপ্তির তারিখ 17 এপ্রিল 2021)
====================================
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন