কলমে :- শংকর হালদার শৈলবালা।
উৎসর্গ :- ব্যর্থ প্রেমিক-প্রেমিকাদের।
ভালোবাসার মানুষ কে, না পাওয়ার বেদনা।
আকাশের ঠিকানায় শুন্য বুকে আক্ষেপ করা।
নর-নারীর দীর্ঘদিনের ভালোবাসার ছলনা,
নীল আকাশের মত কিন্তু ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
মনের আকাশে শূন্যতা বিরাজ করে।
আকাশের উজ্জল রামধেনু একদিন নর-নারীর মনে লেগে ছিল।
যৌবনের বসন্তের আবেগের বশবর্তী হয়ে,
অনলাইনের ভালোবাসা বাসা বেঁধে ছিল।
পাখির মত ডানা মেলে দুটি হৃদয়
মুক্ত নীল আকাশে উড়ে যেতে চেয়েছিল।
সৃষ্টি কর্তা নারীর মন বুঝিতে পারে নাই,
সাধারণ মানুষ বুঝবে কেমন করে?
এমন নর-নারী জগতে বিরাজ করে,
যৌবন জোয়ারে এক জনে মন ভরে না।
অনলাইনে কখন যে কার সাথে মিথ্যা প্রেমের অভিনয় চলে বোঝার সাধ্য নেই ।
নীল আকাশে ঘন কালো মেঘের সৃষ্টি হয়।
সুন্দরী নারীর অভিনয়ের আলোর ছটায়,
বহু পুরুষ নারীর ভালোবাসার প্রতারণার শিকারে দেবদাসে পরিণত হয়।
নারী কিন্তু ভালবাসার মানুষকে ছেড়ে,
অন্য পুরুষের হাত ধরে-
স্রোতের জলের মতো ভেসে বেড়ায়।
স্মৃতি তোমার কন্ঠে গান শুনে মুগ্ধ হয়ে
হৃদয়ের থেকে ভালোবেসে ছিলাম।
পরের কথায় কান দিয়ে দীর্ঘদিনের
ভালোবাসা কে করে প্রত্যাখ্যান।
শুনেছি আমার থেকে আভিজাত্য সম্পন্ন,
উচ্চশিক্ষিত ধনবান পিতার একমাত্র ছেলে।
বিয়ে করে সংসার জীবনে করবে প্রবেশ।
আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলে।
মোটা কাপড় আর মোটা চালের ভাত খেয়ে,
থাকবে সুখে-দুঃখে মিলেমিশে এক সাথে।
যৌবনের ক্ষুধার্ত দেহ মিলনের জন্য,
মিথ্যা ভালোবাসার অভিনয় করেছিলে!
এখন তোমার নাম যশ প্রতিপত্তি হয়েছে।
আমাকে শত্রু বানিয়ে বহু প্রতিশোধ নিয়েছো।
নীল আকাশের শূন্যতা নিয়ে,
হারানোর স্মৃতি গুলো বুকে জড়িয়ে
এখনো পথে অরণ্যের মাঝে খুঁজে বেড়ায়।
লোকে বলে অরণ্যের মাঝে অরণ্য এখন
ব্যর্থ প্রেমের ঘাত প্রতিঘাতে বদ্ধ পাগল।
দুই বাহু দিয়ে গাছকে জড়িয়ে ধরে
স্মৃতির পাতা উল্টিয়ে বাঁচার চেষ্টা করে।
স্মৃতি অরণ্যের অতি কাছে থেকেও,
নীল আকাশের মত ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
অরণ্য হৃদয়ের মণিকোঠায় রেখে
যুবক থেকে বৃদ্ধ বয়সে ভুলতে পারি নাই।
নারীর ভালোবাসা তবে পুরুষের মরণের ফাঁদ।
------------------
রচনাকাল :- 21 জানুয়ারি 2021
শ্রী শ্রী মা সেবাশ্রম ,খাটুরা , দোলন ঘাটা, মাজদিয়া, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
লেখকের অমরত্ব
লেখক :- শংকর হালদার শৈলবালা।
টাকা থাকলে কখনো ইতিহাস গড়া যায় না।
ইতিহাস গড়ার মন মানসিকতা দরকার।
নবীন কোন লেখক প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে নতুন কিছু গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে।
পুরানো আভিজাত্য কে বজায় রাখতে
স্বার্থপর মানুষেরা নবীনের চলার পথে বিভিন্ন ভাবে বাধা সৃষ্টি ও কলঙ্কের দাগ লাগিয়ে দেয়।
যতদিন পায়ের তলার মাটি শক্তিশালী থাকে,
ততদিন মানুষ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকে।
শরীরকে শক্তিশালী করার একমাত্র খাদ্য দ্রব্য,
কিন্তু খাদ্য ও ওষুধে যদি থাকে ভেজাল।
অকালে রোগ শোকে মরতে হয় কিন্তু পারমাণবিক বোমার দরকার হয় না।
এই ভুবনে লেখক কখনো মরতে চাই না কিন্তু
মৃত্যুর পরেও সৃষ্টির মাধ্যমে চির অমরত্ব লাভ।
লেখক তার লেখনীর মাধ্যমে নিজের ও পরের দুঃখ কষ্ট কে সমান ভাবে ভাগ করে নেন। মনের আত্মতৃপ্তি লাভের আশায় দিন রাত কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে লেখালেখি করেন।
প্রবীণদের অবহেলার কারণে বহু নবীনদের প্রতিভার বিকাশ ঘটে না কোনো কালেই কিন্তু
মনের দুঃখ কষ্ট যন্তনা বুকে নিয়ে হারিয়ে যায়।
হয়তো কিছু মানব দরদী নবীন-প্রবীণ লেখকদের সহানুভূতিশীল মননে,
নতুন লেখকেরা পথচলার চেষ্টা চালিয়ে যায়।
লেখনীর মাধ্যমে অমরত্ব লাভের আশায়
কল্পনার জগতে বিরাজমান কলম ধরে রাখে।
---------------
রচনাকাল :- 22 নভেম্বর 2021 শ্রী শ্রী মা সেবাশ্রম ,খাটুরা , দোলন ঘাটা, মাজদিয়া, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন